• ঢাকা বুধবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৪ আশ্বিন ১৪২৫

আড়াই লাখ টাকা পর্যন্ত আয়ে কর দিতে হবে না

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট
|  ০৭ জুন ২০১৮, ১৪:০৭ | আপডেট : ০৭ জুন ২০১৮, ১৪:১৫
এ বছরে করমুক্ত আয়ের সাধারণ সীমা ছিল ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা। আগামী অর্থবছরেও একই হার অব্যাহত থাকছে। অর্থাৎ আড়াই লাখ টাকা পর্যন্ত সাধারণ শ্রেণির কর দিতে হবে না।

আজ বৃহস্পতিবার অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত জাতীয় সংসদের ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপন করছেন।

ওই বাজেট বক্তব্যে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বাজেট প্রস্তাবনায় অর্থমন্ত্রী বলেন, এ বছরে করমুক্ত আয়ের সাধারণ সীমা ছিল ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা। মহিলা করদাতাসহ বিভিন্ন শ্রেণির করদাতাদের জন্য এ সীমা কিছুটা বেশি ছিল। করমুক্ত আয়ের সীমা কি হবে তা নিয়ে প্রচুর আলোচনা হয়। আমরা পর্যালোচনা করে দেখেছি যে উন্নত দেশগুলোতে করমুক্ত আয়সীমা সাধারণভাবে মাথাপিছু আয়ের ২৫ শতাংশের নীচে থাকে।

--------------------------------------------------------
আরও পড়ুন : যুদ্ধাপরাধীদের শাস্তি কার্যকর সবচেয়ে বড় সাফল্য: অর্থমন্ত্রী
--------------------------------------------------------

‘উন্নয়নশীল দেশগুলোতে করমুক্ত আয়সীমা সাধারণত মাথাপিছু আয়ের সমান বা তার কম থাকে। কিন্তু বাংলাদেশে করমুক্ত আয়ের সীমা মাথাপিছু আয়ের প্রায় দ্বিগুণের মতো। অর্থাৎ, আমাদের করমুক্ত আয়ের সীমা বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটের তুলনায় অনেক বেশি। করমুক্ত আয়ের সীমা বেশি হলে কর প্রদানে সক্ষম বিপুলসংখ্যক ব্যক্তি করজালের বাইরে থেকে যান। এতে করের ভিত্তি দুর্বল থাকে।

এমএ মুহিত বলেন, সার্বিক বিবেচনায় আমি আগামি বছরে করমুক্ত আয়ের সাধারণ সীমা ও করহার অপরিবর্তিত রাখার প্রস্তাব করছি। তবে কোন ব্যক্তি-করদাতার প্রতিবন্ধী সন্তান বা পোষ্য থাকলে এরূপ প্রতি সন্তান বা পোষ্যের জন্য করমুক্ত আয়সীমা ৫০ হাজার টাকা হবে।

সাধারণ করদাতার দাতার জন্য  ২ লাখ ৫০ হাজার টাকায় কোনো কর দিতে হবে না। মহিলা ও ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সের করদাতা  ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি করদাতা  ৪ লাখ টাকা পর্যন্ত, গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা করদাতা ৪ লাখ ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত করমুক্ত আয়সীমায় থাকবেন। 

অর্থমন্ত্রী বলেন, বিদ্যমান আইনে ঢাকা উত্তর ও ঢাকা দক্ষিণ এবং চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন, অন্যান্য সিটি কর্পোরেশন এবং ‌সিটি কর্পোরেশনের বাইরের অন্যান্য এলাকার কোম্পানি করদাতা ব্যতীত অন্য করদাতাদেরকে যথাক্রমে ৫ হাজার, ৪ হাজার ও ৩ হাজার টাকা ন্যূনতম কর পরিশোধ করতে হয়। অঞ্চলভিত্তিক ন্যূনতম করের এ হার বহাল রাখার প্রস্তাব করছি।

আরও পড়ুন :

এসআর

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়