• ঢাকা রবিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৮ আশ্বিন ১৪২৫

ইসলামী ব্যাংকেও এখন অল্প টাকা তুলতে কষ্ট হয়: বাণিজ্যমন্ত্রী

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট
|  ০৩ জুন ২০১৮, ১১:১৯ | আপডেট : ০৩ জুন ২০১৮, ১১:২৪
একটা পরিবারে ৪ জন ব্যাংকের পরিচালক হতে পারবেন। সেই সুযোগ আমরা তাদেরকে দিয়েছি। সরকারি টাকার ৫০ ভাগই প্রাইভেট ব্যাংকে চলে। কেননা আমরা তাদেরকে সুযোগ -সুবিধা দিয়েছি। ব্যাংকিং খাত নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া হলে সেটা অত্যন্ত সর্তকতার সঙ্গে নিতে হবে।

শনিবার রাজধানীর ঢাকা ক্লাবে আবাসন খাত নিয়ে এক আলোচনা সভায় বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ এসব কথা জানান।

ব্যাংকিং খাতের দুরবস্থার কথা বলতে গিয়ে এক পর্যায়ে তিনি উদাহরণ হিসেবে জানান, ব্যাংক খাত নিয়ে আমাদের আরও সতর্ক ও যত্নবান হতে হবে। ব্যাংকে টাকা জমা রেখে চেক দিয়ে যদি টাকা তুলতে সমস্যায় পড়তে হয়, তাহলে হবে না। ইসলামী ব্যাংক নামকরা ব্যাংক ছিল। কিন্তু অল্প টাকা আনতে গেলেও কষ্ট হয়। সব ব্যাংক নয়, অল্প কিছু ব্যাংকে সমস্যা।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ব্যাংকিং খাতে একটি স্পর্শকাতর জায়গা। এখানে যদি কোনো কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তাহলে দেশে যতই উন্নয়নের কথা বলি না, আমাদের ক্ষতি হবে।

’জাতীয় অর্থনীতিতে আবাসন খাত’ শীর্ষক এই গোলটেবিল আলোচনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন তিনি।

গোলটেবিল আলোচনায় রিহ্যাবের নেতাসহ অন্য বক্তারা ফ্ল্যাট নিবন্ধন ব্যয় ৭ শতাংশে নামিয়ে আনা, নিম্নমধ্য আয়ের মানুষকে স্বল্প সুদে আবাসন ঋণ দিতে ২০ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠন, ব্যাংকঋণের সুদের হার এক অঙ্কের ঘরে নামিয়ে আনা, রাজউকের হয়রানি বন্ধ করার আহ্বান জানান।

রিহ্যাব সভাপতি আলমগীর শামসুল আলামিন বলেন, ‘চলতি অর্থবছরের বাজেটে গৃহায়ণ খাতে ৩৬ হাজার ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। সম্পূর্ণ টাকাই সরকারি কর্মকর্তাদের আবাসনের জন্য। একটা টাকাও সাধারণ মানুষের জন্য ছিল না। অতীতেও সাধারণ মানুষের আবাসন মানুষের জন্য বাজেটে কোনো বরাদ্দ ছিল না।’ তিনি আরও বলেন, আবাসন প্রতিষ্ঠান ব্যাংক খাত থেকে কোনো সহযোগিতা পায় না। ঋণ পায় না। ক্রেতারা পান। কিন্তু পাঁচ বছরের গৃহায়ণ ঋণ হতে পারে না। ২০ থেকে ২৫ বছরের গৃহায়ণ ঋণ হতে হবে।

বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ রিহ্যাবের বিভিন্ন দাবিদাওয়া মন্ত্রিসভার বৈঠকে তুলে ধরার প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগে ব্যবসায়ীদের দাবির সঙ্গেও একমত পোষণ করেন।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন সাংসদ ও রিহ্যাবের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি নূরুন্নবী চৌধুরী, সাংসদ নূরজাহান বেগম, রিহ্যাবের সহসভাপতি লিয়াকত আলী ভূঁইয়া, বারভিডার সভাপতি হাবিব উল্লাহ, বিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি শাহেদুল ইসলাম হেলাল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক রাশেদ আল মাহমুদ, আমাদের অর্থনীতির সম্পাদক নাঈমুল ইসলাম খান প্রমুখ।

এসআর

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়