• ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৫ আশ্বিন ১৪২৫

এবার মহাকাশে যাবে বঙ্গবন্ধু-২

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট
|  ২৭ মে ২০১৮, ১১:২১ | আপডেট : ২৭ মে ২০১৮, ১১:৩৭
মহাকাশে নির্দিষ্ট কক্ষপথেই ঠাঁই নিয়েছে বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট। স্যাটেলাইটটির নির্দিষ্ট কক্ষপথ হলো ১১৯ দশমিক ১ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশ। এটি এখন কাজ শুরুর অপেক্ষায় আছে। আর এর মধ্যেই বঙ্গবন্ধু-২ উৎক্ষেপণের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে সরকার।

টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার  বলছেন, বাংলাদেশ এখন দ্বিতীয় স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধু-২ উৎক্ষেপণের পরিকল্পনা এগিয়ে নিচ্ছে।

এজন্য সরকার এরইধ্যে ১০০ ডিগ্রি ও ৭৪  ডিগ্রি পূর্ব  দ্রাঘিমাংশে দুটো অরবিটাল স্লটের বরাদ্দ চেয়ে ইন্টারন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়নের (আইটিইউ) কাছে আবেদন করেছে। এর একটিকে বঙ্গবন্ধু-২ এর জন্য ভাবা হচ্ছে।

তিনি বলেন, এর মধ্যে একটি আবার ভারত দাবি করেছে। আর একটি খালি আছে। আমরা দুই স্লটের জন্য প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।

--------------------------------------------------------
আরও পড়ুন : নারীকর্মীদের হয়রানি ও গণছাঁটাই: পাল্টা জবাব গ্রামীণফোনের
--------------------------------------------------------

গত ১২ মে বাংলাদেশ সময় মধ্যরাতে মহাকাশ পানে তীব্র গতিতে ছুটে যায় বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট। যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা থেকে উৎক্ষেপণের ১০ দিন পর তার নিজস্ব অবস্থানে (অরবিট স্লট) পৌঁছেছে। এখন এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবেই কাজ করা শুরু করেছে।

ফ্রান্সের থ্যালেস অ্যালেনিয়া স্পেসের কাছ থেকে কেনা হলেও এটি পরিচালিত হবে গাজীপুর ও রাঙামাটির বেতবুনিয়া গ্রাউন্ড স্টেশন থেকে। এর জন্য মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্রের একটি প্রতিনিধি দলকে প্রশিক্ষিত করে প্রস্তুত করা হয়েছে। তবে মূল তত্ত্বাবধানে প্রথম তিন বছর সহায়তা করবে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট বিক্রেতা প্রতিষ্ঠানটি।

প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা বলছেন, স্যাটেলাইটটি প্রতি ২৪ ঘণ্টায় ৩৬ হাজার কিলোমিটার উচ্চতায় একবার পৃথিবী পরিক্রমণ করবে।

বাংলাদেশ কমিউনিকেশন স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেডের (বিসিএসসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, আমাদের স্যাটেলাইট তার অবস্থান নিয়েছে এবং স্বাভাবিকভাবেই কাজ শুরু করেছে।

তিনি বলেন, তারা এখন বাণিজ্যিকভাবে কার্যক্রম শুরু করার আগে আরও বেশকিছু পরীক্ষা চালাবেন। তিন মাসের মধ্যে বাণিজ্যিক এই অপারেশন শুরু হবে।

প্রায় তিন হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে এই স্যাটেলাইট প্রকল্পের বাস্তবায়ন হচ্ছে। এই স্যাটেলাইটে ৪০টি ট্রান্সপন্ডার থাকবে, যার ২০টি বাংলাদেশের ব্যবহারের জন্য রাখা হবে এবং বাকিগুলো ভাড়া দিয়ে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন সম্ভব হবে।

সরকার আশা করছে, এই স্যাটেলাইটের মাধ্যমে বিদেশি স্যাটেলাইটের ভাড়া বাবদ বছরে ১৪ মিলিয়ন ডলার সাশ্রয় হবে বাংলাদেশের। সেই সঙ্গে নেপাল, ভুটানের মতো দেশের কাছে  ভাড়া দিয়ে বছরে বড় অংকের টাকা অর্জন করা যাবে।

আরও পড়ুন : 

এসআর

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়