• ঢাকা রবিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৮ আশ্বিন ১৪২৫

৪৭ বছর পর বিদ্যুৎ পেলেন তারা

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট
|  ০৬ মে ২০১৮, ১৩:২২ | আপডেট : ০৬ মে ২০১৮, ১৩:৩৪
প্রতীকী ছবি
স্বাধীনতার প্রায় ৫ যুগ পেরিয়ে যাচ্ছে। বিদ্যুতের আলো মেলেনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার বুড়িশ্বর ইউনিয়নের দুই গ্রামে। দীর্ঘ ৪৭ বছর পর সেই আলোর মুখ দেখলেন ওই দুই গ্রামের ৬৮৪ পরিবার।

শনিবার সন্ধ্যা সোয়া ছয়টার দিকে উপজেলায় দক্ষিণ সিংহগ্রামে স্থানীয় সাংসদ বি এম ফরহান হোসেন বিদ্যুৎ সংযোগ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন।

উপজেলার দক্ষিণ সিংহগ্রামের বিজয়লক্ষ্মী জুনিয়র হাই স্কুল মাঠে স্থানীয় পরেশ সরকারের সভাপত্বিতে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাছউদ পারভেজ মজুমদার, উপজেলা পল্লী বিদ্যুতের এজিএম নজরুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি রাফি উদ্দিন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এটিএম মনিরুজ্জামান সরকার, বিজয়লক্ষ্মী জুনিয়র হাই স্কুল প্রধান শিক্ষক পৃথিত রঞ্জন পৌদ্দার, নাসিরনগর আশুতোষ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবদুর রহিম প্রমুখ।
--------------------------------------------------------
আরও পড়ুন : বাংলাদেশ ব্যাংকের বক্তব্যে কিছু করার নেই ফিলিপাইন সরকারের
--------------------------------------------------------

উপজেলা পল্লী বিদ্যুৎকেন্দ্র সূত্রে জানা গেছে, বুড়িশ্বর ইউনিয়নের দক্ষিণ সিংহগ্রাম ও আলকপুরের গ্রামের প্রায় পাঁচ হাজার লোকজন বসবাস করেন। এ দুই গ্রামে প্রায় এক হাজার পরিবার রয়েছে। দুই গ্রামের মোট ৬৮৪ জন গ্রাহককে বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে আবাসিক সংযোগের সংখ্যা ৬৩৬, বাণিজ্যিক ৩৮, সিআইপি ৮ জন ও একটি শিল্প প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

উপজেলা পল্লী বিদ্যুতের এজিএম নজরুল ইসলাম বলেন, এক কোটি ৮৩ লাখ ৮৬ হাজার ৫০০ টাকা ব্যয়ে ৯ দশমিক ১৯৩ কিলোমিটার বিদ্যুতের লাইন নির্মাণ করা হয়। শনিবার পর্যন্ত সংযোগ প্রাপ্ত পরিবারগুলোকে বিদ্যুৎ দেয়া হয়েছে। বাকিরা পর্যায়ক্রমে সংযোগ পাবে।

সাংসদ বি এম ফরহাদ হোসেন বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের প্রতিটি ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এরই ধারাবাহিকতায় নাসিরনগরের দুই গ্রামে বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়া হয়েছে।

বিজয়লক্ষ্মী জুনিয়র হাই স্কুল প্রধান শিক্ষক পৃথিত রঞ্জন পৌদ্দার বলেন, স্বাধীনতার পর এই প্রথম গ্রামে বিদ্যুৎ সংযোগ পেয়েছি। গ্রামের লোকজন অনেক আনন্দিত। প্রধানমন্ত্রী ও স্থানীয় সাংসদের কাছে গ্রামবাসী অনেক কৃতজ্ঞ।

আরও পড়ুন :

এসআর

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়