• ঢাকা সোমবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৯ আশ্বিন ১৪২৫

এই টাকারও গ্যারান্টি কোথায়, প্রশ্ন সানেমের

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট
|  ০৪ এপ্রিল ২০১৮, ১৬:৫৮ | আপডেট : ০৪ এপ্রিল ২০১৮, ১৯:১৭
ফাইল ছবি
সংকটের মুহূর্তে বেসরকারি ব্যাংকে সরকার যে টাকা ঢালছে তার কোনো গ্যারান্টি ও নিশ্চয়তা দেখছে না গবেষণা প্রতিষ্ঠান সাউথ এশিয়ান নেটওয়ার্ক অন ইকোনমিক মডেলিং (সানেম)।

আজ বুধবার রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে চলতি বছরের প্রথম অর্থনৈতিক পর্যালোচনায় সংস্থাটি এ তথ্য জানায়।

সংস্থাটি বলছে, ব্যাংকের সংকট একদিনে তৈরি হয়নি। বিভিন্ন সময়ে অযোগ্যরা পরিচালনায় আসায় অনিয়মের মাত্রা বেড়েছে। এর ফলে নন পারফরমিং লোনের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৮০ হাজার কোটি টাকায়।

সানেমের নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক ড. সেলিম রায়হান বলেন, সরকারি তহবিলের ৫০ শতাংশ পর্যন্ত অর্থ বেসরকারি ব্যাংককে দেয়া হচ্ছে। যে ব্যাংকগুলো অলরেডি খুব বাজে পারফরম্যান্স করছে, আমি তাদের কাছে যদি আবার টাকা দিই, তবে ওই টাকাটা তারা ফারদার মিস ইউজ করবে না- তার গ্যারান্টি কোথায়?   

--------------------------------------------------------
আরও পড়ুন: এসএমই খাতে নারীরা এগিয়ে যাচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী
--------------------------------------------------------

তিনি বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংককে এক ধরনের বাইপাস করে সম্প্রতি অনেক ধরনের সিদ্ধান্ত নেয়া হচ্ছে। এটাও কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংককে একটা ডিলেমার মধ্যে ফেলে দিয়েছে। প্রশ্ন উঠছে- বাংলাদেশ ব্যাংকের রোলটা তাহলে কী?

কেন্দ্রীয় ব্যাংকে বেসরকারি ব্যাংকগুলোর নগদ জমার হার (সিআরআর) এক শতাংশ কমানোও অগ্রহণযোগ্য বলে মনে করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে জিডিপির প্রবৃদ্ধি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে সানেম। সংস্থাটি বলছে, চলতি অর্থবছরে সরকার যে প্রবৃদ্ধির আশার কথা বলছে, তা ভুল বোঝানো হচ্ছে।

সেলিম রায়হান বলেন, এই মুহূর্তে যে ফিগার সেটা ২০১৫-১৬ সালের। আমরা বিবিএসের ডাটা থেকে জানতে পারছি না- ম্যানুফ্যাকচারিংয়ের কোন খাতগুলো এতো বেশি গ্রো করছে?

সানেমের গবেষণা প্রতিবেদনে দেশে শুধু ব্যাংকিং খাতের অদক্ষতা ও অনিয়মের কারণে বছরে জিডিপিতে প্রায় ১ শতাংশ ক্ষতি হচ্ছে বলে উল্লেখ করা হয়, যা টাকার অংকে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা।

গবেষণা প্রতিষ্ঠানটি মনে করছে, শুধু আচরণে নয়, কাজেও বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশ হতে হবে। এজন্য বাংলাদেশকে সুশাসনের প্রতি মনোযোগ বাড়াতে হবে।

আরও পড়ুন:

এসআর/এসএস

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়