• ঢাকা শুক্রবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৬ আশ্বিন ১৪২৫

বাংলাদেশের রিজার্ভ চুরিতে নতুন তথ্য দিল এফবিআই

আরটিভি অনলাইন ডেস্ক
|  ৩১ মার্চ ২০১৮, ১২:২৫ | আপডেট : ৩১ মার্চ ২০১৮, ১২:৪১
বাংলাদেশ ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট থেকে ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার চুরি যাওয়ার পেছনে  ‘রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা’ রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই এর এক কর্মকর্তা বুধবার ম্যানিলায় এ তথ্য জানিয়েছেন।  খবর রয়টার্সের।

ল্যামন্ট সিলার নামের এই কর্মকর্তা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির তদন্তে আছেন। তিনি ফিলিপাইনে মার্কিন দূতাবাসে এ ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু না জানালেও চোরদের পরিচয়ের ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্র সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্তের কাছাকাছি পৌঁছে গেছে বলে তার বক্তব্য থেকে বেরিয়ে এসেছে।

এর আগের সপ্তাহে ওয়াশিংটনের কর্মকর্তারা উত্তর কোরিয়া দায়ী বলে অভিযোগ করেন।

সিলার বলেন, আমরা সবাই বাংলাদেশ ব্যাংকের চুরির কথা জানি। ব্যাংকিং খাতে রাষ্ট্র পরিচালিত হামলার এটি একটি উদাহরণ।

রিজার্ভ চুরির তদন্তের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা গত সপ্তাহে জানান, এফবিআই মনে করে উত্তর কোরিয়া ওই চুরির জন্য দায়ী। তবে ওই কর্মকর্তা বিস্তারিত কিছু বলেননি।

--------------------------------------------------------
আরও পড়ুন: কেমন গেল ঢাকার পুঁজিবাজার?
--------------------------------------------------------

ওয়াল স্ট্রিটের খবরে জানানো হয়, যুক্তরাষ্ট্রের কৌঁসুলিরা চুরির জন্য উত্তর কোরিয়া ও চীনা দালালদের অভিযুক্ত করে মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে নিউইয়র্ক ফেড থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রায় এক বিলিয়ন ডলার সরানোর অনুরোধ জানায় হ্যাকাররা। নিউইয়র্ক ফেড বেশির ভাগ অনুরোধ অগ্রাহ্য করলেও ফিলিপাইনের একটি ব্যাংকে ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার প্রেরণ করে। পরে এই অর্থ তুলে দেশটির ক্যাসিনোগুলোর মাধ্যমে উধাও করে ফেলা হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই এই সাইবার চুরি নিয়ে আন্তর্জাতিক তদন্ত চালাচ্ছে।

ফিলিপাইনে এক চীনা ক্যাসিনো মালিক সিনেটের তদন্তের সময় দু’জন চীনা জুয়াড়ির কাছ থেকে অর্থ নেয়ার কথা বলেছিলেন। বাংলাদেশের অর্থ চুরির জন্য ওই দুই চীনাকে দায়ী করেছিলেন তিনি।

ফিলিপাইনের তদন্তকারীরা এ ঘটনায় বেশ কয়েকজন এবং একটি রেমিটেন্স কোম্পানির বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং আইনের অভিযোগ দাখিল করেন।এ ঘটনা সবশেষ আদালত পর্যন্ত গড়ালেও কাউকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়নি।

সিলার বলেন, এফবিআই বিষয়টি নিয়ে ফিলিপাইন সরকারের সঙ্গে কাজ করছে।

আরও পড়ুন: 

এসআর/সি

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়