• ঢাকা শুক্রবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৬ আশ্বিন ১৪২৫

অগ্রণী ব্যাংক পুরস্কার পেলেন ৩৯ শিশুসাহিত্যিক

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট
|  ১০ মার্চ ২০১৮, ১৭:৪৫ | আপডেট : ১০ মার্চ ২০১৮, ১৭:৫৫
দেশের ৩৯ জন শিশুসাহিত্যিককে অগ্রণী ব্যাংক-শিশু একাডেমি শিশু সাহিত্য পুরস্কার প্রদান করা হয়। আজ শনিবার রাজধানীর শিশু একাডেমি মিলনায়তনে ৭টি শাখায় শিশু সাহিত্যিকদের এ পুরস্কার দেয়া হয়।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে পুরস্কারপ্রাপ্তদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

শিশু একাডেমির চেয়ারম্যান কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেনের সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য দেন পরিচালক আনজীর লিটন।

স্বাগত বক্তব্যে আনজীর লিটন বলেন, ১৯৮১ সালে অগ্রণী ব্যাংক শিশু সাহিত্য পুরস্কার প্রবর্তিত হয়। ২০০৭ সালে থেকে এটি ‘অগ্রণী ব্যাংক শিশু সাহিত্য পুরস্কার’ নামে দেয়া হতো। ২০০৮ সাল থেকে এর নাম করা হয় ‘অগ্রণী ব্যাংক-শিশু একাডেমি শিশুসাহিত্য পুরস্কার।’ বাংলা বছর অনুযায়ী প্রকাশিত বইয়ের ওপর ভিত্তি করে এ পুরস্কারের আয়োজন করা হয়।

--------------------------------------------------------
আরও পড়ুন: সেই পেঁয়াজ এখন ৩০ এর কোঠায়
--------------------------------------------------------

যে ৭টি শাখায় এ পুরস্কার দেয়া হয় সেগুলো হলো- কবিতা-ছড়া-গান, গল্প-উপন্যাস-রূপকথা, অনুবাদ-ভ্রমণকাহিনী, বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযুদ্ধ এবং অন্যান্য জীবনী প্রবন্ধ, স্বাস্থ্য-বিজ্ঞান-প্রযুক্তি, নাটক ও বই অলঙ্করণ।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব নাছিমা বেগম, অগ্রণী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ড. জায়েদ বখত ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক শামস্-উল ইসলাম।

১৪১৮ থেকে ১৪২৩ বঙ্গাব্দ— এ ছয় বছরের অগ্রণী ব্যাংক-শিশু একাডেমি শিশুসাহিত্য পুরস্কার প্রদান করা হয়। ১৪১৮ বঙ্গাব্দে পুরস্কারপ্রাপ্তরা হলেন— রাশেদ রউফ ও খালেদ হোসাইন (কবিতা-ছড়া-গান); মোহিত কামাল (গল্প-উপন্যাস-রূপকথা); কাজী কেয়া (বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযুদ্ধ এবং অন্যান্য জীবনী প্রবন্ধ); তপন চক্রবর্তী (স্বাস্থ্য-বিজ্ঞান-প্রযুক্তি) ও নাসিম আহমেদ (বই অলংরণ)।

১৪১৯ বঙ্গাব্দে পুরস্কারপ্রাপ্তরা হলেন— হাসনাত আমজাদ (কবিতা-ছড়া-গান); দন্ত্যস রওশন (গল্প-উপন্যাস-রূপকথা); শেখ আনোয়ার (স্বাস্থ্য-বিজ্ঞান-প্রযুক্তি); হানিফ খান (নাটক) ও মনিরুজ্জামান পলাশ (বই অলকরণ)।

১৪২০ বঙ্গাব্দে পুরস্কারপ্রাপ্তরা হলেন— আখতার হুসেন (কবিতা-ছড়া-গান); দীপু মাহমুদ (গল্প-উপন্যাস-রূপকথা); সোহেল আমিন বাবু (বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযুদ্ধ এবং অন্যান্য জীবনী প্রবন্ধ); ফারুক হোসেন (অনুবাদ-ভ্রমণকাহিনি); আ শ ম বাবর আলী (নাটক) ও বিপ্লব চক্রবর্তী (বই অলকরণ)।

১৪২১ বঙ্গাব্দে পুরস্কারপ্রাপ্তরা হলেন— রোমেন রায়হান (কবিতা-ছড়া-গান); ইমতিয়ার শামীম (গল্প-উপন্যাস-রূপকথা); তপন বাগচী (বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযুদ্ধ এবং অন্যান্য জীবনী প্রবন্ধ); মনসুর আজিজ (স্বাস্থ্য-বিজ্ঞান-প্রযুক্তি) ও মোমিন উদ্দীন খালেদ (বই অলকরণ)।

১৪২২ বঙ্গাব্দে পুরস্কারপ্রাপ্তরা হলেন— পলাশ মাহবুব (কবিতা-ছড়া-গান); ইমদাদুল হক মিলন (গল্প-উপন্যাস-রূপকথা); রীতা ভৌমিক (বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযুদ্ধ এবং অন্যান্য জীবনী প্রবন্ধ); ড. আলী আসগর (স্বাস্থ্য-বিজ্ঞান-প্রযুক্তি); মাহফুজুর রহমান ও হাসান খুরশীদ রুমী (অনুবাদ-ভ্রমণকাহিনি); আশিক মুস্তাফা (নাটক) এবং সব্যসাচী মিস্ত্রী (বই অলকরণ)।

১৪২৩ বঙ্গাব্দে পুরস্কারপ্রাপ্তরা হলেন— মারুফুল ইসলাম ও আহমাদ উল্লাহ (কবিতা-ছড়া-গান); মোশতাক আহমেদ (গল্প-উপন্যাস-রূপকথা); শ্যামলী নাসরীন চৌধুরী (বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযুদ্ধ এবং অন্যান্য জীবনী প্রবন্ধ); ডা. মিজানুর রহমান কল্লোল ও মশিউর রহমান (স্বাস্থ্য-বিজ্ঞান-প্রযুক্তি); জামিল বিন সিদ্দিক (অনুবাদ-ভ্রমণকাহিনি); আবুল মোমেন (নাটক) এবং উত্তম সেন (বই অলকরণ)।

পুরস্কার প্রদান শেষে শিশু একাডেমির শিশুদের পরিবেশনায় নাটক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়।

আরও পড়ুন: 

পি

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়