• ঢাকা বুধবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১১ আশ্বিন ১৪২৫

প্রমাণ করেছি, বিদ্যুতের দাম কমানো সম্ভব

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট
|  ০৭ জানুয়ারি ২০১৮, ১২:৩৯ | আপডেট : ০৭ জানুয়ারি ২০১৮, ১৩:০৩
সরকার বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে। যেটিকে অন্যায্য ও অযৌক্তিক বলেছে ভোক্তা অধিকার রক্ষায় কাজ করা সংগঠন কনজুমার্স অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ (ক্যাব)।

সংগঠনটি মনে করে, বিদ্যুতের গণশুনানিতে মূল্য কমানোর প্রস্তাব নাকচ করা হয়েছে। ফলে গণশুনানি অকার্যকর ও প্রহসনে পরিণত হয়েছে। 

রোববার সকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) অডিটরিয়ামে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ মন্তব্য করেন ক্যাব সভাপতি গোলাম রহমান।

সংবাদ সম্মেলনে বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি বাতিল ও মূল্য কমানোর দাবি জানান তিনি। 

তিনি বলেন, আমরা গণশুনানিতে প্রমাণ করে দিয়েছি, বিদ্যুতের দাম বাড়ানো নয়, কমানো সম্ভব। দাম বাড়ানোর কারণে প্রমাণ হয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) নিরপেক্ষ নয়। 
ভুলনীতি ও দুর্নীতির কারণে এ অযৌক্তিক ব্যয়বৃদ্ধির পুরোটাই বহন করেন ভোক্তা।

উৎপাদন ও বিতরণে কৃত্রিম ঘাটতি দেখিয়ে বিদ্যুতের এ মূল্যবৃদ্ধিতে সর্বস্তরের জনগণের আপত্তি রয়েছে বলেও সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়।

গেলো নভেম্বরের শেষদিকে বিদ্যুতের দাম ফের বাড়ানোর সিদ্ধান্তের কথা জানায় বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন- বিইআরসি। গ্রাহক পর্যায়ে গড়ে ইউনিট প্রতি ৩৫ পয়সা বাড়ানো হয়। যা ডিসেম্বর মাস থেকে কার্যকর হচ্ছে।

দাম বাড়ানো হয়েছে কেবল খুচরা পর্যায়ে। পাইকারিতে বিতরণ কেন্দ্রগুলোর জন্য বিদ্যুতের দাম তাতে বাড়ছে না।

আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর ২০১০ সালের ১ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত আটবার বাড়ানো হলো বিদ্যুতের দাম।

সবশেষ বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর আগে গত ২৫ সেপ্টেম্বর গণশুনানিতে অংশ নিয়ে ভোক্তা সংগঠন ও বামদলগুলো বিদ্যুতের দাম কমানোর পক্ষে তাদের যুক্তি তুলে ধরে।

সেখানে আয়-ব্যয় সমন্বয়ের জন্য দাম না বাড়িয়ে বরং এক পয়সা থেকে ৬ পয়সা পর্যন্ত দাম কমানো যেতে পারে বলে হিসাব দেখান ক্যাবের জ্বালানি বিষয়ক উপদেষ্টা এম শামসুল আলম।

এসআর

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়