• ঢাকা মঙ্গলবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১০ আশ্বিন ১৪২৫

মূল বেতন ১৬ হাজার টাকা হলেই রিটার্ন দাখিল

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট
|  ২২ অক্টোবর ২০১৭, ১৩:১০ | আপডেট : ২২ অক্টোবর ২০১৭, ১৩:২৪
কোনো সরকারি কর্মীর মূল বেতন ১৬ হাজার টাকা বা তার বেশি হলে তাকে অবশ্যই আয়কর বিবরণী (রিটার্ন) জমা দিতে হবে।আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে ইলেকট্রনিক কর শনাক্তকরণ নম্বর (ই-টিআইএন) নিয়ে রিটার্ন দিতে হবে। আয়কর নথিতে বছরে কত টাকা আয় করেন, কোথায় খরচ করেন, তা-ও জানাতে হবে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। 

ব্যক্তি শ্রেণির করদাতার রিটার্ন পূরণ ও কর পরিপালন নির্দেশিকার তথ্য অনুযায়ী, সাধারণভাবে, কোনো ব্যক্তি করদাতার আয় যদি বছরে আড়াই লাখ টাকার বেশি হয়, তবে তাকে রিটার্ন দাখিল করতে হবে। 

নারী এবং ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সের করদাতার আয় তিন লাখ টাকার বেশি হলে; প্রতিবন্ধীর আয় বছরে চার লাখ টাকার বেশি হলে এবং গেজেটভুক্ত যোদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা করদাতার আয় বছরে চার লাখ ২৫ হাজার টাকার বেশি হলে তাকে আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে হবে। 

তবে সরকারি মন্ত্রণালয় ও বিভাগ, সরকারি কোনো কর্তৃপক্ষ ও করপোরেশনে চাকরি করলে কোনো কর্মচারীর মূল বেতন যদি বছরের কোনো এক মাসে ১৬ হাজার টাকা বা এর বেশি হয়; তবে ওই কর্মচারীকে রিটার্ন দিতে হবে। 

এনবিআর সূত্রে জানা গেছে, গত মৌসুম থেকে এই বিধান চালু হওয়ায় প্রায় চার লাখ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী প্রথমবারের মতো রিটার্ন দিয়েছেন। তাদের সিংহভাগই কর দিয়েছেন।

আয়কর অধ্যাদেশের ৫০ ধারা অনুযায়ী, করযোগ্য সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে প্রতি মাসে বেতন-ভাতা দেওয়ার সময় উৎসে কর কেটে রাখা বাধ্যতামূলক। এত দিন এই ধারা বিস্তৃতভাবে এনবিআর অনুসরণ করেনি; আবার নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানও এ বিষয়ে খুব বেশি আগ্রহ দেখায়নি। গত জুলাই মাস থেকে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা দেওয়ার সময় উৎসে কর কেটে রাখার জন্য সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে তাগিদ দিয়ে এনবিআরের সংশ্লিষ্ট কর অঞ্চল কার্যালয় থেকে একাধিক চিঠি দেওয়া হয়েছে। অনেক মন্ত্রণালয় ও বিভাগ তাদের কর্মীদের পে-রোল ট্যাক্সও কেটে রাখছে।

এ বছর অবশ্য সরকারি কর্মকর্তাদের পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যম পর্যায়ের কর্মী বা নির্বাহী পর্যায়ের কর্মকর্তাদেরও রিটার্ন দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

এসআর

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়