• ঢাকা রবিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৮ আশ্বিন ১৪২৫

‘হোল্ডিং ট্যাক্স বাড়লে বাড়ি ভাড়া বাড়বে’

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট
|  ২১ অক্টোবর ২০১৭, ১৭:২৭ | আপডেট : ২১ অক্টোবর ২০১৭, ১৭:৪৭
হোল্ডিং ট্যাক্স বাড়লে বাড়ি ভাড়া বাড়তে পারে। সেই সঙ্গে ফ্ল্যাট ও প্লট বিক্রির পরিমাণ কমতে পারে। তাই হোল্ডিং ট্যাক্স পুনরায় এসেসমেন্ট না করার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ হাউজ অ্যান্ড ফ্ল্যাট অনার্স অ্যাসোসিয়েশন।

শনিবার রাজধানীর সিরডাপ অডিটোরিয়ামে এক গোলটেবিল বৈঠক হয়। সংগঠনের সভাপতি হেলাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে বৈঠকে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সভাপতি গোলাম রহমান।

বৈঠকে সাবেক সংসদ আব্দুর রহিম, পুরান ঢাকার ব্যবসায়ী নেতা আব্দুস সালাম, ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্তসহ সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। 

বক্তারা বলেন, বর্তমানে হোল্ডিং ট্যাক্স পুনঃ নির্ধারণের নামে বহুগুণ বাড়ানো হয়েছে; যার কোনো যৌক্তিক কারণ নেই। এ সম্পর্কে সিটি কর্পোরেশনের কাছে জানতে চাইলে বলা হচ্ছে আপিল করার সুযোগ আছে। কিন্তু আপিল করার সুযোগের নামে এক শ্রেণির অসাধু কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার সুযোগ করে দেয়া হয়েছে। নগরীতে যারা বাড়ি ও ফ্ল্যাট নির্মাণ করে আসছে তাদের প্রত্যেকেরই হোল্ডিং নম্বর আছে, এগুলো এসেসমেন্টও করা হয়েছে।  

তারা আরো বলেন, এসেসমেন্ট অনুযায়ী আমরা হোল্ডিং ট্যাক্স পরিশোধ করে আসছি। আমাদের সুস্পষ্ট বক্তব্য হচ্ছে নতুনভাবে এসেসমেন্ট না করে বিদ্যমান ট্যাক্সের উপর ১০ থেকে ১৫ শতাংশ বাড়ানো হোক। যদি ১০ থেকে ১৫ শতাংশ হোল্ডিং ট্যাক্স ধরা হয় তাহলে বাড়িভাড়া বাড়বে না। যদি অস্বাভাবিক হারে হোল্ডিং ট্যাক্স নির্ধারণ করা হয় তাহলে এর প্রভার মধ্যবিত্ত ও নিম্ন মধ্যবিত্ত ভাড়াটিয়া ও মালিকদের উপর পড়বে। 
বক্তারা বলেন, আগে  রাজনৈতিক দলগুলো নাগরিক সমস্যা নিয়ে কথা বলতো। এখন কোনো রাজনৈতিক দল সমস্যা তুলে ধরে না। মেয়র নির্বাচনী অঙ্গীকার থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন, তিনি ভোটের আগে বলেছিলেন হোল্ডিং ট্যাক্স বাড়াবেন না। কিন্তু তিনি এখন বাড়াচ্ছেন। 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ক্যাবের সভাপতি গোলাম রহমান, অস্বাভাবিক হারে হোল্ডিং ট্যাক্স বাড়ানো হলে তার প্রভাব বাড়ির মালিকের চেয়ে ভাড়াটিয়াদের উপর বেশি পড়বে। পাশাপাশি বাড়বে নিত্যপণ্যের দাম। ফলে ঘরে ঘরে দুর্নীতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা বাড়তে থাকবে। 

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত বলেন, ২৬ বছর হোল্ডিং ট্যাক্স এসেসমেন্ট না করে একসঙ্গে ২৬ বছরের টাকা বাড়ানো অযৌক্তিক। হোল্ডিং ট্যাক্স বাড়িয়ে সরকারের উন্নয়নকে ব্যাহত করতে একটি পক্ষ কাজ করে যাচ্ছে।  বিষয়টি সরকারকে খতিয়ে দেখতে হবে। মনে রাখতে হবে নির্বাচনে ব্যালট বক্সের মালিক জনগণ। 

এমসি/এসআর

 

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়