• ঢাকা বুধবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১১ আশ্বিন ১৪২৫

নতুন পেঁয়াজ ওঠার আগে কমছে না দাম

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট
|  ১৭ অক্টোবর ২০১৭, ১২:৫৭ | আপডেট : ১৭ অক্টোবর ২০১৭, ১৫:০৫
শারদীয় দুর্গা পূজার সময় ভারতের মোকামগুলোতে পেঁয়াজের লোডিং বন্ধ ছিল। তখন দেশে আমদানি পেঁয়াজের দাম হঠাৎ ১০ থেকে ১৫ টাকা বেড়ে ৪৫ থেকে ৫০ টাকা হয়ে যায়। যা আগে ছিল ৩৫ থেকে ৪০ টাকা।  কিন্তু দুর্গা পূজা শেষে বন্দরের কার্যক্রম শুরু হলেও কমছে না পেঁয়াজের দাম। শুধু তাই নয় পূজার পর আমদানি হওয় পাটনা জাতের পেঁয়াজে বাজার ছেয়ে গেছে।  আমদানিকারকরা বলছে, ভারতে পেঁয়াজের সংকটে দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। দেশেও পেঁয়াজ কম রয়েছে।  এক মাস পরে ভারতের নতুন পেঁয়াজ ওঠবে, তখন দাম কমে আসবে।

পেঁয়াজ ব্যবসায়ীরা আরটিভি অনলাইনকে জানান, দেশি পেঁয়াজের মজুদ এখন কৃষকদের ঘরে নেই। থাকলেও তা সীমিত। এ কারণে আমদানি করা পেঁয়াজের ওপর নির্ভরতা বাড়ছে। দেশে আমদানি হওয়া পেঁয়াজের মূল অংশ ভারত থেকে আসে। কিন্তু দুর্গা পূজার পরে বেড়ে যাওয়া দাম আর কমছে না। তার উপর নতুন আমদানি পেঁয়াজের সাইজ আকারে বড় ও ঝাঁঝ কম হওয়ায় কারণে ক্রেতাদের আগ্রহ কম। ফলে তারা দেশি পেঁয়াজের দিকে বেশি ঝুঁকছে। এতে করে আমদানিকারকরাও পেঁয়াজ নিয়ে বিপাকে আছেন।

মঙ্গলবার রাজধানীর কারওয়ান বাজার, কাঠালবাগান কাঁচাবাজার, শান্তিনগর বাজার, খিলগাঁও বাজার ঘুরে দেখা যায়, খুচরা বাজারে প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজের দাম ৫৫ থেকে ৬০ টাকায় উঠেছে। অন্যদিকে, ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ৫০ থেকে ৫৪ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) তথ্যমতে, সপ্তাহের ব্যবধানে দেশি ও আমদানি করা দুই ধরনের পেঁয়াজের দামই বেড়েছে। ১ সপ্তাহ আগে ৪০ থেকে ৫০ টাকা বিক্রি হলেও ১ মাস আগে পেঁয়াজ বিক্রি হতো ৩৫ থেকে ৪৫ টাকা।

ঢাকার পাইকারি বাজার শ্যামবাজারের কৃষিপণ্যের ব্যবসায়ী ও পেঁয়াজ আমদানিকারক শফিকুল ইসলাম মুঠোফোনে আরটিভি অনলাইনকে বলেন, আমদানি করা পেঁয়াজের দর বেশি থাকায় দেশে দাম বেড়েছে। দেশে পেঁয়াজের ঘাটতিতে কোরবানির আগে দাম বেড়ে যায়। তখন চড়া দামে ভারত থেকে লাখ লাখ টন পেঁয়াজ আমদানি করা হয়। ভারতে পেঁয়াজের সংকটে দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। দেশেও পেঁয়াজ কম আছে। ভারতে পেঁয়াজের দাম কেজিপ্রতি ৩০ থেকে ৩৫ টাকা ছিল। এখন তা বেড়ে ৪০ টাকা ছাড়িয়েছে। পরিবহন ব্যয়সহ অন্য খরচ যোগ করায় পেঁয়াজের দাম ৪৫ টাকা পড়ছে।  এক মাস পরে ভারতের নতুন পেঁয়াজ উঠলে দাম কমে আসবে।

দেশে বছরে ২২ লাখ টন পেঁয়াজের চাহিদা রয়েছে। এর মধ্যে ১৮ লাখ টন দেশে উৎপাদিত হয়। বাকি ৪ লাখ টন আমদানির ওপর নির্ভর করতে হয়। ভারতে দর বেশি থাকলে পাকিস্তান, ইন্দোনেশিয়াসহ কয়েকটি দেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানি করেন ব্যবসায়ীরা।

এমসি/জেএইচ    

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়