close
ঢাকা, সোমবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৭ | ১০ আশ্বিন ১৪২৪

প্রতিদিন মণ মণ সোনা আসে লাগেজে (ভিডিও)

তামজীদ রনি
|  ০৮ জুলাই ২০১৭, ১৩:১৪ | আপডেট : ০৮ জুলাই ২০১৭, ১৪:২৩
স্বর্ণ আমদানিকে পেশা হিসেবে নিয়েছেন অনেক বাংলাদেশি। প্রতিদিন মধ্যপ্রাচ্য থেকে প্রায় আড়াই হাজার বাংলাদেশি স্বর্ণ আমদানি করে থাকেন।  

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন স্বর্ণ আমদানিকারক বললেন, আমি একবার শুধু ১০০ গ্রাম স্বর্ণালঙ্কার এনেছি। এছাড়া এক কার্টুন সিগারেটসহ অন্যান্য টুকিটাকি যেগুলো সরকারের নিয়মের মধ্যে পড়ে সেভাবেই নিয়ে আসি।

তিনি বলেন, বৈধভাবে যেসব পণ্য আনা যায় সেসব পণ্যই আনি। মাসে ৩/৪ বার আমি বাইরে যায়। প্রতিবার আয়-ব্যয় শেষে আমার ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকার মতো থাকে।

এভাবে প্রায় দুই থেকে আড়াই হাজার বাংলাদেশি কাজ করেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

ব্যাগেজ আইন অনুযায়ী, কোন যাত্রী শুল্ক ছাড়া, নির্ধারিত পরিমাণের বেশি স্বর্ণ আনতে পারেন না। অন্যথায়, অতিরিক্ত স্বর্ণ অবৈধ হিসেবে জমা হয় বাংলাদেশ ব্যাংকের ভল্টে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র শুভঙ্কর সাহা জানালেন, বিদেশ থেকে দেশে যাত্রীরা নির্দিষ্ট পরিমাণ স্বর্ণ আনার সুযোগ পান। বিদেশে ভ্রমণকারী কোনো বাংলাদেশি যখন দেশে ফিরবেন, তখন নির্ধারিত কর বা শুল্ক প্রদান সাপেক্ষে প্রায় ২০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার আনতে পারেন।

বাংলাদেশ জুয়েলারি সমিতির তথ্য অনুযায়ী, দেশের অলঙ্কার বাজারে স্বর্ণের যোগান হয় দু’ভাবে। একটি হলো- দেশের ভেতরের পুরোনো স্বর্ণালঙ্কারের বাজার। অন্যটি হলো- মধ্যপ্রাচ্যের স্বর্ণ বাজার। দেশে প্রতিদিন মণে মণে সোনা আসে ল্যাগেজের মাধ্যমে।

অন্যান্য আমদানি নির্ভর ব্যবসার মতো দেশের স্বর্ণব্যবসায়ীরা মূল্যবান দ্রব্যটি আমদানি করেন না। তাহলে দেশজুড়ে ছড়িয়ে থাকা হাজার হাজার স্বর্ণের দোকান চলে কীভাবে জানতে চাওয়া হয় বাংলাদেশ জুয়েলারি সমিতির সহসভাপতি এম এ হান্নানের কাছে।

এ বিষয়ে এম এ হান্নান আরটিভিকে জানালেন, বিদেশ থেকে বাংলাদেশে প্রতিদিন ১০ হাজারের বেশি মানুষ ঢোকে। এ দশ হাজারের যদি তিন হাজার জনও প্রতিদিন ১০০ গ্রাম করে স্বর্ণ আনে, তবে আপনি হিসেব করে দেখেন প্রতিদিন কত কেজি স্বর্ণ বাংলাদেশে আসে।

তিনি আরো বলেন, স্বর্ণের দোকাগুলোতে যেসব স্বর্ণালঙ্কার রয়েছে, সেগুলোর ৭০% এক্সচেঞ্জ হয়। কাস্টমাররা আমাদের কাছে দেয়, আমরা রিমডেল করি। নতুন নতুন স্বর্ণালঙ্কার তৈরি করা হয়।

 

কে/এমকে 

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়