• ঢাকা সোমবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৯ আশ্বিন ১৪২৫

রাজস্ব বোর্ডের হয়রানি চান না ব্যবসায়ীরা (ভিডিও)

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট
|  ০১ জুলাই ২০১৭, ১৯:১৭ | আপডেট : ০২ জুলাই ২০১৭, ১৩:১০
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সক্ষমতা বাড়ানো দরকার। আমরা আইন প্রয়োগের বিরুদ্ধে নই, তবে হয়রানি চাই না। এ সমস্যা সমাধানে এনবিআর ও এফবিসিসিআইয়ের সমন্বয়ে যৌথ ওয়ার্কিং কমিটি গঠন করা উচিত। বললেন বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি ফেডারেশনের (এফবিসিসিআই) সভাপতি সফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন।  

শনিবার রাজধানীর মতিঝিলে ফেডারেশন ভবনে আয়োজিত ২০১৭-১৮ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট উত্তর যৌথ এ সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় বিজিএমই'র সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান, বিকেএমইএ'র সভাপতি এ কে এম সেলিম ওসমান, এফবিসিসিআই'র সহসভাপতি মুনতাকিম আশরাফসহ বিভিন্ন ব্যবসায়ী নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

সফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন বলেন, এনবিআর ও এফবিসিসিআইয়ের সমন্বয়ে যৌথ ওয়ার্কিং কমিটি কেস টু কেস ভিত্তিতে সমস্যার সমাধান করবে। এতে সরকারের রাজস্ব বাড়বে। ফলে ব্যবসাবান্ধব পরিবেশের মধ্য দিয়ে সঠিকভাবে ব্যবসা পরিচালনা করা যাবে।

নতুন ভ্যাট আইন স্থগিত করায় সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে মহিউদ্দিন বলেন, সরকার ‘বাস্তবমুখী’ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। তবে নতুন আইনটি বাস্তবায়নে কি ধরনের প্রভাব তৈরি হতে পারে, তা স্বাধীন সংস্থার মাধ্যমে পর্যালোচনা দরকার। ভ্যাট ও ট্যাক্সের রেট না বাড়িয়ে বরং আওতা বাড়াতে হবে। তাহলে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি ট্যাক্স আদায় সম্ভব। ভাট ও ট্যাক্সের বিষয়টি জোর করে চাপিয়ে দেয়ার বিষয় নয়। 

তিনি আরো বলেন, ব্যবসায়ীদের আস্থার সঙ্কট দূর হওয়ায় এখন শিল্পে নতুন বিনিয়োগ আসবে, বাড়বে কর্মসংস্থান। নতুন বাজেটে সরকারের রাজস্ব আয় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে না। তবে দুর্নীতি কমাতে হবে।   

লিখিত বক্তব্যে মহিউদ্দিন বলেন, তৈরি পোশাক, চামড়া, হিমায়িত খাদ্যসহ সকল রপ্তানি খাতের ক্ষেত্রে উৎসে কর কর্তনের হার ১ শতাংশ থেকে হ্রাস করে শূন্য দশমিক ৫০ শতাংশ করার জন্য আমরা প্রস্তাব করেছিলাম। এসব খাতের ক্ষেত্রে উৎসে কর কর্তনের হার ০.৫০ ভাগ নির্ধারণ করার জন্য ফের অনুরোধ জানাচ্ছি। 

তিনি আরো বলেন, ইউরোপের বাজারসহ অন্যান্য দেশের ক্রেতাগণও পণ্যের মূল্য ক্রমাগতভাবে হ্রাস করছে। এছাড়াও ডলারের বিপরীতে টাকার মূল্যমান বেড়েছে ৭ দশমিক ৮৪ শতাংশ। পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধিসহ অন্যান্য খরচ বৃদ্ধি ও শ্রমিকদের গেলো ৫ বছরে দু’দফায় ২১৯ ভাগ মজুরি বৃদ্ধির ফলে ব্যবসা পরিচালনার ব্যয় ১৭ দশমিক ১১ ভাগ বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই উৎসে কর হ্রাস করা অত্যাবশ্যক হয়ে পড়ছে। পাশাপাশি বিশেষ প্রণোদনা অথবা কর রেয়াতের মাধ্যমে সহযোগিতা বাড়ানো উচিত। 

এফবিসিসিআই সভাপতি আরো বলেন, রেয়াতি সুবিধা না থাকার কারণে ক্ষুদ্র কারখানা মালিক, শ্রমিক ও গরীব ভোক্তাদের কথা বিবেচনা করে স্থানীয়ভাবে তৈরিকৃত প্লাস্টিক ও রাবারের ওপর আরোপিত ভ্যাট প্রত্যাহারের প্রস্তাব করছি। 

বাজেটে আবগারি শুল্ক কমানোতে সরকারকে ধন্যবাদ জানান তিনি। 

এমসি/এসএস

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়