• ঢাকা রবিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৮ আশ্বিন ১৪২৫

'পাট শিল্পে এগিয়ে এলে জমি দেব'

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট
|  ১৩ মে ২০১৭, ২১:৫৭
পাট শিল্পে এগিয়ে আসুন। পাট সংশ্লিষ্ট কোনো শিল্প করতে চাইলে জানান, প্রয়োজনীয় জমি দেবো। বললেন পাট ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম।

শনিবার রাজধানীর মতিঝিলে ঢাকা চেম্বার অডিটোরিয়ামে ‘ইকো ফ্রেন্ডলি পাল্প অ্যান্ড পেপার প্রসেসিং ফরম জুট’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ তথ্য জানালেন।  

সেমিনারে বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইন্সটিটিউটের (বিজেআরআই) পরিচালক ড. আসাদুজ্জামান মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।   

মির্জা আজম বলেন, দেশে উৎপাদিত পাটের ১০ শতাংশ স্থানীয়ভাবে উৎপাদন হয়। বাকি ৯০ শতাংশ ভারতের ওপর নির্ভরশীল থাকতে হয়। ভারত যা উৎপাদন করে তার ২ শতাংশ রপ্তানি করে আর বাকি ৯৮ শতাংশ নিজেরা ব্যবহার করে। তবে তারা রপ্তানি করে পাটের পণ্য। কিন্তু আমরা রপ্তানি করি কাঁচাপাট। তাই রপ্তানি নির্ভরতা কমাতে প্রধানমন্ত্রী বাধ্যতামূলক প্যাকেজিং আইন ২০১০ করেছেন। যা এরই মধ্যেই আমরা বাস্তবায়ন করেছি। তবে দেশে পাটের অভ্যন্তরীণ ব্যবহার বেড়েছে ২৫ শতাংশ।

মির্জা আজম আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী পাটকে কৃষিপণ্য হিসেবে ঘোষণা করেছেন। তবে কৃষিপণ্যের প্রক্রিয়া এখনও চলমান রয়েছে। এটির প্রজ্ঞাপণ জারি হয়নি। কৃষি মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ব্যাংক মিলে এটি নিয়ে কাজ করছে। প্রজ্ঞাপন জারি হলে পাটের সঙ্গে যারা জড়িত প্রত্যেকেই কৃষিঋণসহ সব সুযোগ সুবিধা পাবে।

পাট ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিজেএমসি’র মাধ্যমে দেশে প্রথমবারে মত পাট হতে পরিবেশবান্ধব পাল্প ও কাগজ উৎপাদনের শিল্প-কারখানা স্থাপন করা হবে। সরকার কাঁচা পাট হতে পলিমার ব্যাগ উৎপাদনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে এবং এটি ব্যবহারের জনসচেতনতা বাড়ানো গেলে পাটের বহুমুখী ব্যবহার নিশ্চিত হবে, যা পরিবেশ সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

এসময় ডিসিসিআই সভাপতি আবুল কাসেম খান বলেন, পাট পণ্যের বহুমুখীকরণ এবং নতুন নতুন চাষাবাদ পদ্ধতি ও প্রযুক্তির ব্যবহার আবিষ্কারে গবেষণা বাড়াতে হবে। পাশাপাশি নতুন উদ্যোক্তা তৈরীতে নানামূখী পদক্ষেপ নিতে হবে।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ফজলে ওয়াহিদ খন্দকার, বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইন্সটিটিউট (বিজেআরআই) মহাপরিচালক ড. মোঃ মনজুরুল আলামসহ ব্যবসায়ী নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

এমসি/এসজে

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়