close
ঢাকা, শুক্রবার, ২০ অক্টোবর ২০১৭ | ০৫ কার্তিক ১৪২৪

গরু মাংসের সংকটে আশার আলো ‘ব্রাহামা’

জুলহাস কবীর
|  ১৯ এপ্রিল ২০১৭, ১২:৩৯ | আপডেট : ১৯ এপ্রিল ২০১৭, ১৩:৩৯
মাংসের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত গরু ‘ব্রাহমা' এরইমধ্যে খামারিদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। শুরুতে বীজ আমদানি করতে হলেও এখন প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তরই তা উৎপাদন করছে।

তবে এতে প্রাথমিক সফলতা আসলেও প্রান্তিক কৃষক ও খামারিদের ব্যাপক চাহিদার বিপরীতে এ উৎপাদন পর্যাপ্ত নয়।

এমনি একজন নরসিংদীর শারমীন সুলতানা খামার শুরু করেছেন অনেক আগে। তবে কেবল দুধের খামার হওয়ায়, লাভের মুখ দেখছেন না  তেমন একটা। সুযোগ পেলে দুধের পাশাপাশি মাংস উৎপাদনের খামারও গড়ে তোলার ইচ্ছে আছে তার। তবে খামারিদের হালের ক্রেজ ‘ব্রাহমা’জাতের গরু সম্পর্কে এখনো খুব একটা ধারণা নেই শারমীন সুলতানার।

দুধের  চে’বেশি লাভজনক হওয়ায় তার মতো অনেক খামারিই মাংসের জন্য  ব্রাহমায় আগ্রহ দেখাচ্ছেন। তবে বীজ না পেয়ে হতাশও হতে হচ্ছে তাদের। 

তবে প্রকল্প পরিচালকেরা বলছেন, খুব দ্রুত সারাদেশে ব্রাহমা বীজ ছড়িয়ে দিয়ে  এ অবস্থা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব। গবেষণা কেন্দ্রগুলোতে গেলো কয়েক বছরে যে পরিমাণ বীজ সংগ্রহ করা হয়েছে তা দেশের চাহিদা মেটাতে পর্যাপ্ত বলেও দাবি করলেন তারা।

২০০৮ সালে পাইলট প্রকল্পের মাধ্যমে আমেরিকা থেকে প্রথম ব্রাহমা নামের মাংস জাতের ষাঁড়ের সিমেন আমদানি করে প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তর। এ সিমেন বা বীজ উৎপাদনে শুরু থেকেই কাজ চলছে কেন্দ্রীয় কৃত্রিম প্রজনন গবেষণাগারে। এরইমধ্যে দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে ব্রাহমা ষাঁড়। 

দেশে মাংসের দাম যখন সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে, দিন দিন গরুর সংকট যখন তীব্র হচ্ছে, তখনো কেন প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তর মাংসের উৎপাদন বাড়াতে বীজ ব্যাপকভাবে দিচ্ছে না, সে প্রশ্ন ছিলো, প্রকল্প পরিচালকের কাছে।

এদিকে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মাংসের সংকট নিরসনে জনপ্রিয় এই গরুর বীজ দ্রুত সারা দেশে ছড়িয়ে দিতে হবে। সুষ্ঠু পরিকল্পনা মাধ্যমেই গরু উৎপাদনে অর্জন করতে হবে স্বনির্ভরতা।

আরকে / এমকে 

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়