• ঢাকা শুক্রবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৬ আশ্বিন ১৪২৫

হয়রানি বন্ধের দাবি প্লাস্টিক ব্যবসায়ীদের

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট
|  ২২ মার্চ ২০১৭, ১৯:১৪ | আপডেট : ২২ মার্চ ২০১৭, ২১:১৭
আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই আমরা ব্যবসা করছি। অভিযানে প্লাস্টিক কারখানায় হয়রানি বন্ধ করতে হবে। প্লাস্টিক শিল্পনগরীর কাজ দ্রুত শেষ করতে হবে। বললেন প্লাস্টিক বাংলাদেশ প্লাস্টিক দ্রব্য প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন।  

বুধবার অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে ব্যবসায়ীদের প্রতিনিধি দল শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমুর সঙ্গে দেখা করেন। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। এসময় সংগঠনের সাবেক সভাপতি ফেরদৌস ওয়াহেদ ও শামীম আহমেদ তার সঙ্গে ছিলেন। 

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সাম্প্রতিক অভিযানে বিভিন্ন রাসায়নিক কারখানা, প্লাস্টিক কারখানা ও জুতার কারখানাকে জরিমানা করা হচ্ছে। প্লাস্টিক কারখানায় অযথা হয়রানি না করতে সংগঠনের পক্ষ মন্ত্রী অনুরোধ জানানো হয়।

ব্যবসায়ীদের কথা শুনে তাৎক্ষণিকভাবে ঢাকা দক্ষিণের মেয়র সাঈদ খোকনের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন শিল্পমন্ত্রী।

বৈঠকে অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, পশুখাদ্য প্যাকেজিংয়ের পাটের ব্যাগ ব্যবহার হলে ফাংগাসের মাধ্যমে গুণগতমান নষ্ট হয়ে যায়। এজন্য তারা এ জাতীয় পণ্যে পাটের পরিবর্তে প্লাস্টিকের প্যাকেজিং ব্যবহারের সুযোগ চান। একই সঙ্গে তারা উন্নত বিশ্বের আদলে একটি যুগোপযোগী প্যাকেজিং আইন প্রণয়নের দাবি জানান।

এসময় শিল্পমন্ত্রী বলেন, একটি বিশদ প্যাকেজিং আইনের দাবি তারা দীর্ঘদিন ধরে করে আসছেন। সেটি ফের বলেছেন। নতুন করে ১৭টি পণ্যে পাটের মোড়ক ব্যবহারের চিন্তা করা হচ্ছে। এটি নিয়ে প্লাস্টিক খাতের ব্যবসায়ীরা কিছু পর্যবেক্ষণ দিয়েছে। আমি বলেছি, পাট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কথা বলতে।

মন্ত্রী আরো বলেন, রাসায়নিক শিল্প কারখানার জন্য দোহারে একটি শিল্পপল্লী করার চিন্তা ভাবনা চলছে। যতো দ্রুত সম্ভব এটি এগিয়ে নিয়ে যাবো।এছাড়া খুব শীঘ্রই ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন, শিল্প মন্ত্রণালয়, এফবিসিসিআই, প্লাস্টিক ও কেমিক্যাল শিল্প উদ্যোক্তাদের সমন্বয়ে একটি যৌথ বৈঠকের আয়োজন করা হবে।

এমসি/জেএইচ

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়