• ঢাকা সোমবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৯ আশ্বিন ১৪২৫

জমেছে ১০ম আন্তর্জাতিক পোল্ট্রি প্রদর্শনী

মিথুন চৌধুরী
|  ০৩ মার্চ ২০১৭, ২৩:৩১ | আপডেট : ০৩ মার্চ ২০১৭, ২৩:৪২
দেশে কর্মসংস্থানে গার্মেন্টসের পরেই পোল্ট্রি শিল্পের স্থান। ৮০’র দশকে এ খাতে  ১৫শ’  কোটি টাকা বিনিয়োগ  তা এখন ৩০ হাজার কোটি ছাড়িয়েছে। আর এ শিল্প নিয়ে রাজধানীতে ১০ম বারের মতো বসেছে আন্তর্জাতিক পোল্ট্রি প্রর্দশনী ও সেমিনার। যা থেকে তরুণ উদ্যোক্তারা নিতে পারছেন নানা অভিজ্ঞতা।

বসুন্ধরা ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে চলা এ মেলার পর্দা নামবে শনিবার। দর্শনার্থীদের সুবিধার্থে ফ্রি বাস সার্ভিসের ব্যবস্থা করেছে আয়োজকরা। এক্ষেত্রে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ থেকে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট, মহাখালী, কাকলী, বনানী ও কুড়িল হয়ে কনভেনশন সেন্টারে পর্যন্ত রুট নির্দেশ করা হয়েছে। 

মেলা ঘুরে দেখা যায়, উদ্যোক্তারা বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখছেন। কোনো কোনো স্টলে নতুন কি এসেছে সেদিকেই তাদের নজর বেশি। নানা প্রতিষ্ঠানের পণ্য ও সেবা সম্পর্কে ধারণা নিচ্ছেন। শুধু খামারি নয়, ছোট পরিসরের চাষিরাও মেলায় এসেছেন। অনেকে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পণ্যের স্যাম্পল দেখে অর্ডার দিচ্ছেন। অনেকে স্টলগুলোতে বসে থাকা এক্সপার্টদের কাছ থেকে খামারের টেকনিক্যাল বিষয়ে বিভিন্ন তথ্য জেনে নিচ্ছেন। এদিকে যারা স্টল নিয়ে বসেছেন, তাদের নিজেদের পণ্য ও সরঞ্জাম সম্পর্কে বিস্তারিত জানাচ্ছেন মেলায় আগতদের।

মেলায় গরু মোটাতাজাকরণ, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি, পশুপালন পদ্ধতি, মাছ ও মুরগি খামারের উৎপাদন বাড়ানোর পদ্ধতি জানার আগ্রহ ক্রেতা-দর্শনার্থীদের মধ্যে বেশি লক্ষ্য করা গেছে।

পোল্ট্রি, অ্যানিমেল ও মেডিসিন কোম্পানিসহ মোট ৪৯০টি দেশি বিদেশি স্টল নিয়ে বসেছে এ মেলা। এর মধ্যে ক্রেতা-দর্শনার্থীদের ঋণ সংক্রান্ত সুবিধার খবর জানাতে বিভিন্ন ব্যাংকের স্টল রয়েছে।

আয়োজকরা বলছেন, দেশে প্রতিনিয়তই বাড়বে ডিম ও মাংসের চাহিদা। এর ওপর ভর করে সৃষ্টি হবে আরো বড় বাজার। আর এ মেলা হচ্ছে সাফল্যের পথপ্রদর্শক। তবে আকাশচুম্বী সাফল্যের এ সম্ভাবনাকে টিকিয়ে রাখতে দরকার সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা। প্রতিনিয়তই নানা উপকরণের দাম বাড়ছে। খাবার ও ওষুধের দাম বেড়ে যাওয়ায় তারা লাভের মুখ দেখছেন না। একইসঙ্গে মাঝে মধ্যেই দেখা দিচ্ছে বার্ড ফ্লুর মতো মহামারি। এমন পরিস্থিতিতে ছোট খামারির স্বার্থ রক্ষায় কৃষির মতো পোল্ট্রি খাতেও স্বল্প সুদে ঋণ ও ‘পোল্ট্রি বীমা’ চালু করা জরুরি বলে মনে করেন তারা।

এমসি/ডিএইচ

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়