
রাঙামাটির বিলাইছড়িতে দুই মারমা কিশোরীকে যৌন নির্যাতন ও চাকমা রানিকে লাঞ্ছিতের ঘটনায় তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে কমিটি প্রতিবেদন দাখিল করবে।
কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে কমিশনের সদস্য এবং রাঙ্গামাটি সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ বাঞ্ছিতা চাকমাকে। এছাড়া অপর দুই সদস্য হলেন, কমিশনের পরিচালক (অভিযোগ ও তদন্ত) এবং অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. শরীফ উদ্দীন এবং উপ-পরিচালক (অভিযোগ ও তদন্ত) মো. গাজী সালাউদ্দিনকে।
মঙ্গলবার দুপুর ১২ টায় কমিশন কার্যালয়ে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হকের সভাপতিত্বে বিশেষ কমিশন সভায় এ কমিটি গঠন করা হয়। সভায় কমিশনের সদস্য মো. নজরুল ইসলাম, নুরুন নাহার ওসমানী, বাঞ্ছিতা চাকমা, এনামুল হক চৌধুরীসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
সভায় বলা হয়, গত ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ তারিখ রাঙ্গামাটির পুলিশ সুপার (এসপি) নিজ ফেসবুকে যৌন নির্যাতনের শিকার দুই বোনের ছবি, নাম, পরিচয় ও পিতা-মাতার নাম প্রকাশ করেছেন মর্মে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশ হয়। বিষয়টি গ্রহণযোগ্য নয় মর্মে প্রাথমিকভাবে প্রতীয়মান হয়। এ বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোড়ন সৃষ্টি হয় এবং জনমনে প্রশ্নের উদ্রেক সৃষ্টি করে।
সভায় জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হক বলেন, মারমা মেয়েদের যৌন নির্যাতনের ঘটনায় প্রকৃত অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনার লক্ষ্যে কমিশন আইন অনুযায়ী সর্বাত্মক প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে।
পুলিশের নিরাপত্তায় মেয়ে দুটি রাঙামাটি সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। হাই কোর্টের নির্দেশে গত ১৫ ফেব্রুয়ারি হাসপাতাল থেকে তাদের বাবা-মার জিম্মায় দেয় পুলিশ।
হাসপাতাল থেকে চাকমা রানি য়েন য়েন দুই কিশোরীকে তার জিম্মায় নিতে চেয়েছিলেন। চাকমা রাজা দেবাশীষ রায়ের মারমা স্ত্রী য়েন য়েন বলেন, বাংলা ভাষা না জানা তার গোত্রের মেয়ে দুটি তার সঙ্গেই থাকতে চান।
আরও পড়ুন:
এমসি/এমকে




