close
ঢাকা, সোমবার, ২১ আগস্ট ২০১৭ | ০৬ ভাদ্র ১৪২৪

‘ধর্ষণের সময় নেশাদ্রব্য খাওয়ানো হয়েছিল’

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট
|  ১৫ মে ২০১৭, ২৩:৩৫ | আপডেট : ১৬ মে ২০১৭, ১১:৩০
বনানীর হোটেল রেইনট্রিতে ধর্ষণের সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্রীকে নেশা জাতীয় দ্রব্য খাওয়ানো হয়েছিল। বললেন সাফাত আহমেদের গাড়িচালক বিল্লাল।

সোমবার রাত সাড়ে ১০টায় র‌্যাবের মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাব ১০ এর পরিচালক জাহাঙ্গীর হোসেন মাতুব্বর একথা বলেন।

জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, সোমবার সন্ধ্যা ৬টায় ওয়ারী থানার নবাবপুর রোডের দি-নিউ ঢাকা বোর্ডিং থেকে আসামি মোঃ বিল্লাল হোসেনকে(২৭) গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি সুজন নামে সেখানে রুম ভাড়া করেছিলেন। বিল্লালের গ্রামের বাড়ি নাটোরের বড়াইগ্রাম থানার দাড়িডোমা গ্রামে।

বিল্লাল র‌্যাবকে জানান, ঘটনার দিন আনুমানিক বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে আসামি সাফাত আহমেদকে নিয়ে রেইনট্রি হোটেলের ৮ম তলার ভাড়া করা রুমে যান। সাফাতকে হোটেলে রেখে তিনি গুলশান-২ নম্বর অ্যাগুরার পেছন থেকে সাফাতের একজন গার্লফ্রেন্ড ও তার বান্ধবীকে নিয়ে বনানীর ১১ নম্বর রেইনট্রি হোটেলের ওই রুমে সাফাতের কাছে দিয়ে আসেন।

বিল্লাল র‌্যাবকে আরো জানান, ওই দিন দুই তরুণীর ভিডিও ধারণ করা হয়েছিল। হোটেলের রুমের মধ্যে তাদের হাতে ইয়াবা দিয়েও ভিডিও করা হয়। বলা হয়েছিল, তারা যদি এই ঘটনা ফাঁস করে দেয় তাহলে ইয়াবা ব্যবসায়ী বলে মামলা দিয়ে দিয়ে তাদের ধরিয়ে দেয়া হবে।

তবে বিল্লাল জানান, মোবাইলে ধারণ করা সেই ভিডিও তিনি ডিলেট করে দিয়েছে। ধষর্ণের সময় বিল্লাল বাথরুমে ছিলেন এবং সে সমস্ত ঘটনা দেখেছেন।  

জাহাঙ্গীর হোসেন মাতু্ব্বর বলেন, বিল্লালকে বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদ করার পর্যাপ্ত সময় পাইনি। বাকি জিজ্ঞাসাবাদ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা করবেন।

এদিকে গুলশানে ওয়েস্টিন হোটেলের সামনে থেকে সন্ধ্যায় সাফাতের বডিগার্ড রহমতকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল। রহমত তার এক আত্মীয়ের বাসায় যাচ্ছিল। তার কাছ থেকে একটি শটগান এবং ১০ রাউন্ড গুলি পাওয়া গেছে।

গেলো ৫ মে ভিকটিম দুই তরুণীর একজন বনানী থানায় অভিযোগ দেন। অভিযোগে পাঁচজনকে আসামি করা হয়। এজাহারের বর্ণনা অনুযায়ী, গেলো ২৮ মার্চ বনানীর রেইনট্রি হোটেলে সাফাত ও নাঈম দুই বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীকে ধর্ষণ করেন। অন্য তিনজন ছিলেন সহায়তাকারী।

৬ মে মামলার পর পালিয়ে যাওয়া সাফাত ও সাদমানকে ১১ মে সিলেট থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। বর্তমানে তারা রিমান্ডে রয়েছেন।

কে/ এমকে

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়