বনবিভাগের গাছ দিয়ে অবৈধভাবে মাছ শিকার [ভিডিও]

প্রকাশ | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৭, ১৪:৫৪

ফেরদৌস খান ইমন, বরগুনা

বরগুনার পাথরঘাটায় বঙ্গোপসাগরসহ আশপাশের নদীগুলোতে চলছে নিষিদ্ধ উপায়ে মাছ শিকার। আর এ কাজে ব্যবহার হচ্ছে ছোট বড় গাছের হাজারো খুঁটি। এগুলো সংগ্রহ করা হচ্ছে হরিণঘাটা ও চর লাঠিমারা বনাঞ্চল থেকে। টাকার বিনিময়ে এ অপকর্মে সহযোগিতা করছেন বনবিভাগের অসাধু কর্মীরা। ফলে ভাঙ্গনের কবলে পড়েছে উপকূলীয় এলাকা।

বঙ্গোপসাগরের মোহনায় এভাবে মাইলের পর মাইল জেগে ওঠা চড়ের নাম লালদিয়ার চর। এই চরে জেলেরা নিষিদ্ধ চরগড়া জাল দিয়ে ঘোপ তৈরি করে শিকার করছে বিভিন্ন প্রজাতির ছোট বড় মাছ। এই জাল বাইস করতে প্রয়োজন হয় হাজার হাজার খুঁটির। যা কিনা জেলেরা অবাধে নিয়ে আসছেন এখানকার বনাঞ্চল উজাড় করে। অভিযোগ ওঠে, এ কাজে বন বিভাগের অসাধু কর্মকর্তা কর্মচারীদের সহযোগিতা করছে। বিনিময়ে পাচ্ছেন টাকা।

লালদিয়া হরিণঘাটা ও চরলাঠিমারা সংরক্ষিত বনের গেওয়া-কেওড়াসহ মূল্যবান অনেক গাছই বিক্রি করে দিয়েছে অসাধু ওই বনবিভাগের কর্মীরা।

মাছ শিকারের এক একটি ঘোপ তৈরি করতে প্রয়োজন হয়, প্রায় ৭-১০ হাজার খুঁটি। বিষখালী ও বলেশ্বরে এমন প্রায় ১০-১৫টি ঘোপ রয়েছে।

তবে পাথরঘাটার হরিণঘাটার বিট কর্মকর্তা বেলায়েত হোসেনের দাবি, এক সময় এ বন থেকে গাছ কাটা হলেও, তিনি এখানে আসার পর তা বন্ধ করে দিয়েছেন।

এদিকে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, তারা নদী থেকে খুটিগুলো অপসরণ করছে। যে খুটিগুলো নদীতে দেখা যাচ্ছে তা ওই লাল দিয়া বনেরই গাছ।

সংরক্ষিত বনের গাছ কাটা রোধে সরকার কঠোর পদক্ষেপ নিবে এমনটাই দাবী এখানকার উপকূলবাসির।

এসএস