• ঢাকা সোমবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৯ আশ্বিন ১৪২৫

এমপি রানার জামিন শুনানি : দুপক্ষের ধাওয়া পাল্টা-ধাওয়া, অস্ত্রসহ আটক ১১

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি
|  ০৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ২১:০৬ | আপডেট : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ২১:৫৮
টাঙ্গাইলে আওয়ামী লীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলার প্রধান আসামি ঘাটাইল আসনের এমপি আমানুর রহমান খান রানার জামিনের শুনানিকে কেন্দ্র করে টাঙ্গাইল আদালত চত্বর ও শহরে দিনভর ব্যাপক উত্তেজনা বিরাজ করে।

বেলা ১১টার দিকে এমপি রানার সমর্থকরা ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার বিচার ও এমপি রানার মুক্তির দাবিতে শহরের শামসুল হক তোরণ এলাকায় অবস্থান নেয়। অন্যদিকে মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলার বিচার দাবিতে আদালত চত্বর ও শহরের বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নেয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা।

এক পর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ দুই রাউন্ড টিয়ার সেল নিক্ষেপ ও লাঠিচার্জ করে। এসময় পুলিশ ১টি বিদেশি পিস্তল, ২টি ম্যাগজিন ও ৮ রাউন্ড গুলিসহ ১১ জনকে আটক করে।

বুধবার সকালে এমপি রানাকে টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক মাকসুদা খানমের আদালতে হাজির করা হয়।

এদিকে হত্যা মামলায় সাক্ষী উপস্থিত না থাকায় সাক্ষ্য গ্রহণের দিন আগামি ২৭ সেপ্টেম্বর ঠিক করেছেন আদালত। মামলার প্রধান আসামি সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানার উপস্থিতিতে এ আদেশ দেন আদালতের বিচারক মাকসুদা খানম।

এদিকে আসামিপক্ষের জামিনের আবেদনের প্রেক্ষিতে আজ বিকেল চারটায় জামিন না মঞ্জুর করেন বিচারক। 

বাদিপক্ষের আইনজীবীরা আজ জামিনের আদেশের ব্যাপারে অধিকতর শুনানির আবেদন করলে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা তার বিরোধিতা করেন। এছাড়াও রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী জামিনের বিরোধিতা করেন।

আদালত চত্বরে সকাল থেকেই পুলিশ ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করে। আদালত চত্বর ছাড়াও শহরের বিভিন্ন স্থানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ফারুক আহমেদের গুলিবিদ্ধ লাশ তার কলেজপাড়া এলাকার বাসার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়। ঘটনার তিন দিন পর তার স্ত্রী নাহার আহমেদ বাদি হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। ২০১৪ সালের আগস্টে গোয়েন্দা পুলিশের তদন্তে এ হত্যায় এমপি রানা ও তার ভাইদের নাম বের হয়ে আসে।

২০১৬ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় গোয়েন্দা পুলিশ। এ মামলায় এমপি রানা ছাড়াও তার তিন ভাই টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তি, ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান কাকন, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পাসহ ১৪জন আসামি রয়েছে।

আরও পড়ুন  :

এমসি/জেএইচ

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়