টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অগ্নিকাণ্ডে ১৪ ঘর ভস্মীভূত

প্রকাশ | ০৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ০৯:২১ | আপডেট: ০৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১৩:৩৬

টেকনাফ প্রতিনিধি, কক্সবাজার

কক্সবাজারের টেকনাফের হোয়াইক্যং চাকমারকুল রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অগ্নিকাণ্ডে ১৪টি ঘর পুড়ে গেছে। মঙ্গলবার দিনগত রাত দেড়টার দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। গ্যাস সিলিল্ডার বিস্ফোরণে এ অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত বলে জানা গেছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি।

টেকনাফের হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ‍উপপরিদর্শক (এসআই) দীপঙ্কর কর্মকার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আরটিভি অনলাইনকে জানান, ১৪টি ঘরে বসবাসরত ২৮টি পরিবারের প্রায় ১৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বিশেষ করে পরিধেয় বস্ত্র ও ত্রাণের খাদ্যদ্রব্য পুড়ে গেছে।

টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রণজিত কুমার বড়ুয়া বলেন, টেকনাফের চাকমারকূল রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অনিবন্ধিত রোহিঙ্গা বস্তি থেকে কয়েক কিলোমিটার ভেতরে পাহাড়ে গড়ে ওঠা রোহিঙ্গা বস্তির ১৪টি ঘরে আগুন লাগে। এখানে প্রতিটি ঘরে দুটি করে কক্ষ এবং প্রতিটি কক্ষে একটি করে পরিবার বাস করতো। বাঁশ, চট ও পলিথিনে তৈরি ঘরগুলো একটার সঙ্গে আরেকটা লাগোয়াভাবে তৈরি করায় মুহূর্তেই সব ঘরে আগুন ছড়িয়ে যায়।

-------------------------------------------------------
আরও পড়ুন : ফেনীতে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ২
-------------------------------------------------------

ওসি আরও জানান, খবর পেয়েই পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়।২০-৩০ মিনিটের মধ্যে সব ঘর ভস্মীভূত হয়ে যায় বলে স্থানীয় রোহিঙ্গারা জানান। তারা জানান, আগুনে ঘর পুড়লেও কেউ হতাহত হয়নি।

তিনি বলেন- পুড়ে যাওয়া ওই রোহিঙ্গা ক্যাম্পের কাছ থেকে সোমবার সকালে গলাকাটা রক্তাক্ত জখম অবস্থায় রোহিঙ্গা তিন যুবককে উদ্ধার করেছিল পুলিশ।

উল্লেখ্য, গত ৩১ আগস্ট টেকনাফের লেদা অনিবন্ধিত রোহিঙ্গা বস্তিতে স্থানীয় দুর্বৃত্তরা রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ভলান্টিয়ার মো. আবু ইয়াছেরকে (২২) গুলি করে হত্যা করে। এ ঘটনার তিনদিন পর লেদা অনিবন্ধিত ক্যাম্পের অনতিদূরে চাকমারকূল পাহাড়ি এলাকার রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নিকটবর্তী এলাকা থেকে গলা কাটা জখম অবস্থায় রোহিঙ্গা তিন যুবককে ৩ সেপ্টেম্বর উদ্ধার করে টেকনাফ থানা পুলিশ।

জেবি/পি