নাটোরে সড়ক দুর্ঘটনার মামলায় বাসচালকের আত্মসমর্পণ

প্রকাশ | ২৮ আগস্ট ২০১৮, ১৮:০২ | আপডেট: ২৮ আগস্ট ২০১৮, ১৮:২৬

বগুড়া প্রতিনিধি

নাটোরের লালপুরে বাস-লেগুনা সংঘর্ষে ১৫ জন নিহত হওয়ার ঘটনায় করা মামলায় চ্যালেঞ্জার নামক বাসটির চালক মো. শামীম হোসেন আত্মসমর্পণ করেছেন।

মঙ্গলবার বিকেলে বগুড়া জেলা মোটরশ্রমিক ইউনিয়নের কার্যালয়ে তিনি আত্মসমর্পণ করেন। পরে মোটর শ্রমিক নেতারা তাকে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন। বর্তমানে বাসচালক শামীম জেলা ডিবি কার্যালয়ে রয়েছে।

বগুরা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সনাতন চক্রবর্তী বিষয়টি আরটিভি অনলাইনকে নিশ্চিত করে জানান, বর্তমানে বাসচালক শামীম জেলা ডিবি কার্যালয়ে রয়েছে। তাকে নাটোর জেলা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হবে। 

বগুড়া জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সামছুদ্দিন শেখ হেলাল বলেন, মঙ্গলবার দুপুরে শামীম শ্রমিক ইউনিয়নের কার্যালয়ে আত্মসমর্পণ করে। পরে তাকে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।
-------------------------------------------------------
আরও পড়ুন: যমুনায় শতাধিক যাত্রী নিয়ে ট্রলারডুবি, নিখোঁজ ৩
-------------------------------------------------------

এর আগে গত রোববার এ মামলায় বাসচালকের সহকারী আবদুস সামাদ কমলকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বগুড়া শহরের পলাশবাড়ি এলাকার ভাড়া বাসা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে জেলা পুলিশ। ওই বাসের মালিক মঞ্জু সরকারকে বগুড়া সদর পুলিশ ফাঁড়িতে এনে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ছেড়ে দেওয়া হয়।

গেলো শনিবার পাবনা থেকে বগুড়াগামী চ্যালেঞ্জার পরিবহনের একটি বাস কদিমচিলান এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি লেগুনাকে সামনে থেকে চাপা দেয়। এতে দুই শিশু, ছয় নারীসহ ১০ জন ঘটনাস্থলেই নিহত হন। পরে হাসপাতালে তিনজন ও এরপর আরও একজন মারা যান এবং গভীর রাতে আরেকজনের মৃত্যু হয়।

দুর্ঘটনার পরের দিন সকালে এ ঘটনায় লালপুর থানায় সাতজনকে আসামি করে মামলা হয়। বনপাড়া হাইওয়ে থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) ইউছুব আলী বাদী হয়ে মামলাটি করেন। মামলায় বনপাড়া লেগুনা স্ট্যান্ডের সভাপতি জাবেদ মোল্লা, সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন, লেগুনার চালক, চালকের সহকারী, চ্যালেঞ্জার বাসের মালিক, বাসের চালক ও চালকের সহকারীকে আসামি করা হয়েছে। আসামিদের মধ্য লেগুনার চালক ও তাঁর সহকারী দুজনই দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন। আর চ্যালেঞ্জার বাসের মালিক, চালক ও চালকের সহকারীকে অজ্ঞাত দেখানো হয়।

এসএস