নাটোরে বাস-লেগুনা সংঘর্ষ, নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৪

প্রকাশ | ২৫ আগস্ট ২০১৮, ২০:৫৪ | আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০১৮, ০৮:৪৮

নাটোর প্রতিনিধি

নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলায় বাস ও লেগুনার মুখোমুখি সংঘর্ষে ১৪ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অন্তত ৪৫ জন। আহতদের নাটোর সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

শনিবার বেলা তিনটার দিকে উপজেলার নাটোর-পাবনা মহাসড়কের বনপাড়া সাদিয়া ফিলিং স্টেশনের সামনে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতদের মধ্যে শিবপুর গ্রামের আবু তাহেরের স্ত্রী রজুবা খাতুন (৩২), জামাইদিঘী গ্রামের নূরফেলের স্ত্রী লগেনা খাতুন (৬০), নারায়ণপুর গ্রামের রূপচাঁদের স্ত্রী শেফালী খাতুন (৫০), লেগুনাচালক মালিপাড়া গ্রামের আব্দুর রহিম (২৮), চারঘাটের মিরকামারী গ্রামের আনোয়ারের মেয়ে শাপলা খাতুন (২০), টাঙ্গাইলের গোপালপুর গ্রামের রোকন উদ্দিন (৫৪) ও আব্দুল সোবাহানের (৭৫) পরিচয় পাওয়া গেছে। বাকিদের পরিচয় এখনও জানা যায়নি।

নাটোর ফায়ার স্টেশনের অফিসার মহিউদ্দিন জানান, বনপাড়া থেকে একটি যাত্রীবাহী লেগুনা রাজাপুরের দিকে যাচ্ছিল। পথে লেগুনাটি বনপাড়া সাদিয়া ফিলিং স্টেশনের সামনে পৌঁছলে পাবনা থেকে বগুড়াগামী চ্যালেঞ্জার পরিবহনের একটি বাসের (ঢাকা মেট্রো চ- ৫৬৫৯) সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ১৪ জন নিহত ও অন্তত ৪৫ জন আহত হন।

আহতদের এলাকাবাসী, লালপুর ফায়ার সার্ভিস ও বনপাড়া হাইওয়ে পুলিশ উদ্ধার করে এলাকার বিভিন্ন ক্লিনিক ও বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করে।

ভয়াবহ এই দুর্ঘটনার খবর পেয়ে নাটোরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রাজ্জাকুল ইসলাম ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। তিনি জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিহত প্রত্যেকের পরিবারের জন্য বিশ হাজার টাকা অনুদান ও আহতদের বিনামূল্যে চিকিৎসার ঘোষণা দেন।

এ দুর্ঘটনায় নাটোরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সাইদুজ্জামানকে প্রধান করে একটি তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে ঘটনার তদন্ত রিপোর্ট সংশ্লিষ্ট দপ্তরে দাখিলের জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে।  

আরও পড়ুন :

জেবি/পি