ফেরি সংকট: পারের অপেক্ষায় কুরবানির পশুবাহী ট্রাকসহ পাঁচ শতাধিক যান

প্রকাশ | ১৮ আগস্ট ২০১৮, ১৩:১০ | আপডেট: ১৮ আগস্ট ২০১৮, ১৩:৩৪

রাজবাড়ী প্রতিনিধি

পদ্মা নদীতে তীব্র স্রোত ও ফেরি সংকট থাকার কারণে দৌলতদিয়া ঘাটে কুরবানির পশুবাহী ট্রাকসহ পারের অপেক্ষায় রয়েছে পাঁচ শতাধিক যানবাহন।  

শনিবার সকাল থেকেই দৌলতদিয়া ফেরি ঘাটের জিরো পয়েন্ট থেকে মহাসড়কে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার জুরে কুরবানির পশুবাহী ও পণ্যবাহী ট্রাকের সারি দেখা যায়। এছাড়া দৌলতদিয়া ট্রাক টার্মিনালে প্রায় দুই শতাধিক ট্রাক রয়েছে।  

এদিকে সময়মতো ফেরি পার হতে না পেরে উভয় ঘাটে পণ্যবাহী ট্রাক চালকদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে এবং অতিরিক্ত টাকা ব্যয় হচ্ছে। এর মধ্যে রাজধানী ও চট্টগ্রামগামী অর্ধশতাধিক কুরবানির পশুবাহী ট্রাকও রয়েছে। 

পশুবাহী ট্রাক চালকরা জানান, ঘাটে ১০/১২ ঘণ্টা করে ফেরির জন্য বসে থেকে পশু খাবার খরচ বেড়ে যাচ্ছে। এতে হাটে গিয়ে পশুর দাম বেড়ে যাবে।
-------------------------------------------------------
আরও পড়ুন : চাপ বাড়ছে পাটুরিয়া ফেরিঘাটে, পারের অপেক্ষায় ৪শ’ যান
-------------------------------------------------------

ঘাটে কর্মরত ট্রাফিক সার্জন মৃদুলকান্তি দাস জানান, কুরবানির পশুবাহী ট্রাকগুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পার করার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ফলে কাঁচামাল ও অন্যান্য পণ্যবাহী ট্রাক পারের অপেক্ষায় থেকেই যাচ্ছে। 

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) দৌলতদিয়া ঘাট সহকারী ম্যানেজার মো. খোরশেদ আলম আরটিভি অনলাইনকে বলেন, দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ১৬টি ছোট বড় ফেরি চলাচল করছে। দৌলতদিয়া পারে ৬টি ঘাটের মধ্যে ৫টি সচল রয়েছে। আর রাতে ছোট ফেরিগুলো চলতে পারে না। এছাড়াও পুরাতন দুর্বল ৫টি রো রো ফেরি তীব্র স্রোতের বিপরীতে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া মাত্র ৫ কিলোমিটার নদীপথ পারি দিতে প্রায় দেড় ঘণ্টা সময় লাগছে। ২৪ঘন্টায় ওই ফেরিগুলো ২/৩টির বেশি ট্রিপ দিতে পারে না। ফলে ঘাটে সব সময়ই যানজট থেকেই যাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, এক-দুই দিনের মধ্যে মাওয়া ঘাট থেকে দুটি বড় রো রো ফেরি দৌলতদিয়া ঘাটে এসে যোগ দেবে। তখন পারাপার স্বাভাবিক হয়ে যাবে।

আরও পড়ুন :

এসএস