• ঢাকা বুধবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৪ আশ্বিন ১৪২৫

লালমনিরহাটে ধাত্রীর ভুল চিকিৎসায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ

লালমনিরহাট প্রতিনিধি
|  ১৭ আগস্ট ২০১৮, ১৭:২২ | আপডেট : ১৭ আগস্ট ২০১৮, ১৭:৪৯
ফিরোজা বেগমের মা ও শিশু সেবা কেন্দ্র

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার বড়খাতায় এক ধাত্রীর ভুল চিকিৎসায় নবজাতকের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত ধাত্রীর নাম ফিরোজা বেগম।

এই ঘটনার বিচার চেয়ে নবজাতকের বাবা নূরে এলাহী গত বুধবার (১৫ আগস্ট) হাতীবান্ধা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

জানা গেছে, হাতীবান্ধা উপজেলার বড়খাতা রেলওয়ে কলোনিপাড়ার ফজলু হকের মেয়ে ফিরোজা নিজেকে অভিজ্ঞ ধাত্রী দাবি করে তার বাড়িতে মা ও শিশু সেবা কেন্দ্র খুলেছেন। তার বাড়িতে নিয়মিত গর্ভবতী মায়েদের সন্তান প্রসব করানোর পাশাপাশি বাচ্চা নষ্ট (এমআর) করানো হয়। গত ৭ আগস্ট উপজেলার দোলাপাড়া গ্রামের নূরে এলাহীর স্ত্রী জেমি বেগমের প্রচণ্ড প্রসব ব্যথা উঠলে তাকে দ্রুত ফিরোজার বাড়িতে নেয়া হয়। পরদিন ৮ আগস্ট জেমি একটি সন্তান প্রসব করেন। তবে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে মা ও নবজাতককে প্রথমে লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে এবং পরে রংপুর মা ও শিশু হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। এখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৯ আগস্ট নবজাতকটি মারা যায়।

------------------------------------------------------------------
আরও পড়ুন  : লক্ষ্মীপুরে পানিতে ডুবে তিন শিশুর মৃত্যু
------------------------------------------------------------------

নূরে এলাহীর অভিযোগ, ফিরোজার ভুল চিকিৎসাই তার সন্তানের মৃত্যু হয়েছে। তিনি বলেন, রংপুর মা ও শিশু হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, জন্মের সময় নবজাতক মাথায় প্রচণ্ড আঘাত পায়।

এই ঘটনায় বিচার চেয়ে হাতীবান্ধা থানায় অভিযোগ করেছেন তিনি। তবে অভিযোগ করার পর তিনদিন পার হলেও পুলিশ কার্যকর কোনও ব্যবস্থা না নেয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।

এই বিষয়ে ফিরোজা বলেন, বিভিন্ন এনজিওতে মা ও শিশু সেবার কাজ করার বাস্তব অভিজ্ঞতা আছে আমার। সেই অভিজ্ঞতার আলোকে বাড়িতে সন্তান প্রসব করিয়ে থাকি।

হাতীবান্ধা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রমজান আলী বলেন, বিষয়টি শুনেছি। খোঁজ খবর নেয়া হচ্ছে। ফিরোজা ‘মা ও শিশু সেবা কেন্দ্র’ আমাদের অনুমতি ছাড়াই চালু করেছেন।

হাতীবান্ধা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওমর ফারুক জানান, এই বিষয়ে একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসা করার চেষ্টা চলছে।

 

আরও পড়ুন  :

 

কে/পি

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়