• ঢাকা সোমবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৯ আশ্বিন ১৪২৫

পদ্মায় তীব্র স্রোত, ফেরি পারাপার নিয়ে চিন্তিত কর্তৃপক্ষ

জাহাঙ্গীর আলম বিশ্বাস, মানিকগঞ্জ
|  ১৪ আগস্ট ২০১৮, ২২:৫৪ | আপডেট : ১৪ আগস্ট ২০১৮, ২৩:১৫
আসন্ন কুরবানির ঈদকে সামনে রেখে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের ২১টি জেলার যাত্রী ও গরু বোঝাই পরিবহন পারাপার স্বাভাবিক রাখতে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। তবে পদ্মায় তীব্র স্রোতের কারণে ফেরি পারাপার নিয়ে কিছুটা চিন্তিতও তারা। 

স্বাভাবিক সময়ে প্রতিদিন গড়ে এই পথ দিয়ে সাড়ে তিন হাজার গাড়ি চলাচল করে। কিন্তু ঈদের আগে এই সংখ্যা বেড়ে হয় প্রায় দ্বিগুণ। কাজেই কর্তৃপক্ষের শত আন্তরিকতার পরও ঈদের তিন দিন আগে ও পরে পাটুরিয়া ও দৌলতদিয়া ঘাটে ফেরি পারের অপেক্ষায় থাকতে হয় শত শত যানবাহন ও যাত্রীকে। এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে যৌথভাবে কাজ করছে বিআইডব্লিউটিসি, বিআইডব্লিউটিএ, জেলা প্রশাসন ও পুলিশ। 

কয়েকজন ফেরি মাস্টার জানান, পদ্মা নদীর তীব্র স্রোতের কারণে ফেরি পারাপারে সময় লাগছে স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ। এ কারণে ফেরির ট্রিপ সংখ্যা কমে যাওয়ায় যাত্রী ও পরিবহন পারাপার হচ্ছে অনেক কম। ফলে ঈদের বাড়তি পরিবহন পারাপার নিয়ে চিন্তিত যাত্রী ও পরিবহনের চালক-হেল্পাররা। 

শিবালয় সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মাহবুবুর রহমান আরটিভি অনলাইনকে বলেন, পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথে ফেরি পারাপার নির্বিঘ্ন করতে বিআইডব্লিউটিসি, বিআইডব্লিউটিএ’র পাশাপাশি নিরলসভাবে কাজ করছে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ। যত প্রতিকূলতাই থাকুক না কেন, যাত্রী ও পরিবহন পারাপার স্বাভাবিক থাকবে বলে তিনি আশা করেন। 
-----------------------------------------------------------------------
আরও পড়ুন  : নতুন লঞ্চ সার্ভিসে পাল্টে গেলো দৃশ্যপট
-----------------------------------------------------------------------

বিআইডব্লিউটিসি’র মহাব্যবস্থাপক (বাণিজ্য)এস এস আশিকুজ্জামান আরটিভি অনলাইনকে বলেন, এবারের ঈদে গরু বোঝাই ট্রাক ও যাত্রী পরিবহন পারাপার স্বাভাবিক রাখতে আরিচা ফেরি সেক্টরে প্রস্তুত রাখা হয়েছে ছোট-বড় ২০টি ফেরি। পাটুরিয়া টার্মিনালে ৪টি ঘাট ও দৌলতদিয়া টার্মিনালে ৬টি ঘাট চালু আছে। প্রাকৃতিক বিপর্যয় না ঘটলে ফেরিপার স্বাভাবিক থাকবে বলে তিনি মনে করেন।

সব আশঙ্কা কাটিয়ে এবারের ঈদে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের ২১টি জেলার যাত্রী ও গরুবোঝাই পরিবহন পারাপার স্বাভাবিক থাকবে। ঘরমুখী মানুষ নির্বিঘ্নে গন্তব্যে পৌঁছে স্বজনদের নিয়ে পরম আনন্দে ঈদ করবে, এমনটাই প্রত্যাশা সবার।

এসএস

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়