• ঢাকা সোমবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৯ আশ্বিন ১৪২৫

শরীয়তপুর-চাদঁপুর মহাসড়কের ২০ কিলোমিটার যেন মরণ ফাঁদ

শরীয়তপুর প্রতিনিধি
|  ১৩ আগস্ট ২০১৮, ১২:৫৪ | আপডেট : ১৩ আগস্ট ২০১৮, ১৩:১৩
বড় বড় গর্ত আর খানাখন্দে মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে শরীয়তপুর-চাদঁপুর মহাসড়কের ২০ কিলোমিটার এলাকা। ঈদকে সামনে রেখে কুরবানির পশুবাহী গাড়ি ও যাত্রীবাহী যানবাহনের চাপ বাড়লেও সংস্কারে কোনও উদ্যোগ নেই। এতে দুর্ভোগ চরমে উঠেছে যাত্রী ও চালকদের।

শরীয়তপুর সদরের আঙ্গারিয়া বাজার থেকে ভেদরগঞ্জের আলুর বাজার ফেরিঘাট পর্যন্ত সড়কে প্রতিদিন চট্টগ্রাম, খুলনাসহ দক্ষিণাঞ্চলের প্রায় ২১টি জেলার যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু গর্ত আর খানাখন্দে অনেকটাই চলাচল অনুপযোগী হয়ে পড়েছে মহাসড়কটি। প্রায় সময় গর্তে পড়ে নষ্ট হচ্ছে যানবাহনের যন্ত্রাংশ।

-------------------------------------------------------
আরও পড়ুন  : রংপুরে স্কুলছাত্রের মৃত্যু: বাসচালক-হেলপার আটক
-------------------------------------------------------

সালাম নামের এক চালক বলেন, ‘রাস্তাটিতে দুই থেকে তিন ফুট পর্যন্ত গর্ত হয়ে গেছে। অত্যন্ত কর্দমাক্ত বিভিন্ন জায়গা। এতে করে যান চলাচল কিছুতেই সম্ভব নয়।’

রহিম নামের এক ভুক্তভোগী বলেন, ‘ইট বালু নিয়ে আমরা নিজেরা নিজেরাই কাজ করতাছি। আমাদের দেখার মতো কেউ নাই।’

রমজান নামের অপর এক ব্যক্তি বলেন, ‘আমরা লেবার রাখছি টাকা দিয়ে রাস্তা ঠিক করার জন্য। প্রতি গাড়ি পাঁচশ’ টাকা করে দিচ্ছি।’

সড়কটি বেহাল থাকায় থেমে নেই দুর্ঘটনা। ঈদকে সামনে রেখে যানবাহনের চাপ বাড়ায় যাত্রী ও চালকদের ভোগান্তি বেড়েছে কয়েকগুণ।

আকবর নামের এক যাত্রী জানান, আমি খুলনা থেকে আসছি চিটাগাং যাব। যাইতে পারিনি। রাত ধরে বইসা রইছি এই জায়গায়।

নেকাব্বর নামের একজন জানান, রাস্তায় আটকা পড়ে আছে বিশটির মতো গাড়ি। রাস্তার দুর্ভোগের জন্য যেতে পারছি না।

যাত্রী দুর্ভোগের কথা স্বীকার করে দ্রুত সংস্কারের কথা জানান শরীয়তপুর সড়ক ও জনপথের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জাকির হোসেন। তিনি জানান, মাস খানেকের মধ্যেই এই রাস্তার কাজ অনুমোদন হবে। আর তা হলে ২৭ কিলোমিটার রাস্তা মেরামত করা যাবে এবং যান চলাচল উপযোগী করা যাবে। জনদুর্ভোগ কমাতে ঈদের আগেই সড়কটি সংস্কারের দাবি যাত্রীসহ সংশ্লিষ্টদের।

আরও পড়ুন  : 

জেবি

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়