• ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৫ আশ্বিন ১৪২৫

ভুল চিকিৎসায় ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রের মৃত্যুর অভিযোগ

বগুড়া প্রতিনিধি
|  ১৯ জুলাই ২০১৮, ১৩:২৮
বিকেলে স্কুল থেকে ফিরে সন্ধ্যায় বাবা-মায়ের সাথে অ্যাপেন্ডিসাইটিসের অপারেশনের জন্য বেসরকারি ক্লিনিকে ভর্তি হয়েছিল ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র সাকিব। সন্ধ্যায় অপারেশনের পর দুই ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও তার জ্ঞান না ফেরায় স্বজনরা অপারেশন থিয়েটারে ঢুকে দেখেন নিষ্প্রাণ পড়ে আছে কিশোরটি। 

স্বজনদের অভিযোগ, অপারেশনের পর চিকিৎসকদের অবহেলাতেই প্রাণ গেছে সাকিবের।

ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার রাতে বগুড়া শহরের ডলফিন ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে। 

সাকিবের চাচা সাজু মিয়া আরটিভি অনলাইনকে জানান, কিছুদিন আগে সাকিবের অ্যাপেন্ডিসাইটিস অপারেশনের পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা। ডলফিন ক্লিনিকের এক কর্মচারী প্রতিবেশী হবার সুবাদের তার পরামর্শে কম খরচের আশ্বাসে বুধবার বিকেলে সাকিবকে ওই ক্লিনিকে ভর্তি করানো হয়। ভর্তির পর চিকিৎসক একে পাল অপারেশনটি করবেন এই শর্তে ১০ হাজার টাকায় চুক্তিও করে ক্লিনিকের লোকজন। 

সাকিবের স্বজনরা জানান, সন্ধ্যায় অপারেশনের পরপরই অ্যানেসথেসিয়ার চিকিৎসকসহ সব চিকিৎসক ক্লিনিক থেকে বেরিয়ে যান। এরপর থেকে তারা রোগীর জ্ঞান ফেরার অপেক্ষা করছিলেন। রাত ৯টা পেরিয়ে যাবার পরও জ্ঞান না ফেরায় সঙ্গে থাকা স্বজনরা অপারেশন থিয়েটারে ঢুকে দেখতে পান সেখানে নিথর পড়ে আছে সাকিব। 

বাবা আবদুল আজিজ জানান, এসময় ক্লিনিকে দুই নার্স ছাড়া কোনো চিকিৎসক না থাকায় তারা দ্রুত তাকে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানকার চিকিৎসকরা জানায় অনেক আগেই মারা গেছে সাকিব।

পরে বিক্ষুব্ধ স্বজনরা শহরের সাতানী বাড়ি এলাকায় ডলফিন ক্লিনিকে গেলে ক্লিনিকের মালিকসহ অন্যরা পালিয়ে যান। 

সদর থানার পরিদর্শক (ওসি-তদন্ত) কামরুজ্জামান জানিয়েছে, ভুল চিকিৎসায় সাকিবের মৃত্যু হয়েছে এমন অভিযোগ করেছেন তার বাবা আবদুল আজিজ। এ ব্যাপারে আইনি পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন এই পুলিশ কর্মকর্তা।

এসএস 

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়