• ঢাকা সোমবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৯ আশ্বিন ১৪২৫

সুন্দরগঞ্জে মাদক কেনাবেচার সময় পুলিশ-শিক্ষকসহ গ্রেপ্তার ৭

গাইবান্ধা প্রতিনিধি
|  ১৫ জুলাই ২০১৮, ২৩:২৮ | আপডেট : ১৬ জুলাই ২০১৮, ০৯:৫২
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় মাদক কেনা বেচা সময় পুলিশ কনস্টেবল, হাইস্কুল ও প্রাইমারী শিক্ষকসহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অথচ তাদের মাদক সেবনের অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হয় এবং জব্দকৃত মাদকও গায়েব হয়ে যায় বলে অভিযোগ উঠেছে।
 
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ জানায়, রোববার ভোরে একদল পুলিশ অভিযান চালিয়ে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার রামজীবন ইউনিয়নের ভবানীপুর গ্রামের ছাগলকাটি মৎস্য খামার এলাকায় ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদক কেনা বেচার সময় লালমনিরহাট জেলার আদিতমারী থানায় কর্মরত পুলিশ কনস্টেবল ও রামজীবন ইউনিয়নের ভবানীপুর গ্রামের আশেক আলীর ছেলে সুমন মিয়া, একই গ্রামের আব্দুল কাদেরের ছেলে এনামুল হক রিজু, সুর্বণদহ গ্রামের আমির উদ্দিনের ছেলে আনিছুর রহমান, মোসলেম আলীর ছেলে আব্দুর রহিম, ঘগোয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও পৌর সভার মুক্তিযোদ্ধা গাওছল রহমানের ছেলে বেলাল উদ্দিন, হাইস্কুল শিক্ষক ও ভবানীপুর গ্রামের গোলাম মোস্তফার ছেলে মশিউর রহমান ও ভবানীপুর গ্রামের আকবার আলীর ছেলে আব্দুল হান্নানকে আটক করে। 
 
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক এলাকাবাসী জানায়, পুলিশ কনস্টেবল সুমন মিয়া লালমনিরহাট জেলার আদিতমারী থানায় কর্মরত হলেও প্রতিদিন তিনি বাড়ি এসে এলাকায় মাদক ব্যবসা চালাতেন। তিনি এই ব্যবসা দীর্ঘদিন ধরে করে আসছেন। 
 
--------------------------------------------------------
আরও পড়ুন  : সিলেটে বাস-ট্রাক-মোটরসাইকেলের ত্রিমুখী সংঘর্ষে নিহত ৩
--------------------------------------------------------
 
সূত্র মতে, পুলিশ সাতজনকে আটক করার সময় প্রচুর পরিমাণে ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদক দ্রব্য জব্দ করে থানায় নিয়ে যায়। 
 
নাম প্রকাশ না করার শর্তে পুলিশের একজন কর্মকর্তা আরটিভি অনলাইনকে বলেন, রোববার ভোর থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত থানায় বসে পুলিশ ও মাদক ব্যবসায়ীদের মধ্যে দফারফা হয়। দিনভর থানার গেট লাগিয়ে রাখা হয়। কোনো সংবাদ কর্মীদের থানায় ঢুকতে দেয়া হয়নি। পরে রাত ৯টার দিকে আটককৃত পুলিশ কনস্টেবল ছাড়া বাকি ছয় জনকে মাদক সেবনের অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হয়। 
 
সুন্দরগঞ্জ থানা অফিসার ওসি এসএম আব্দুস সোবহান গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে মাদক কেনা বেচার অভিযোগ অস্বীকার করে আরটিভি অনলাইনকে বলেন, পুলিশ কনস্টেবল বিনা অনুমতিতে এলাকায় এলাকায় অবস্থান ও মাদক সেবনের কারণে তাকে আদিতমারী থানা পুলিশের কাছে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য হস্তান্তর করা হয়েছে। বাকি ছয় জনকে মাদক সেবনের দায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হলে আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এসএম গোলাম কিবরিয়া প্রত্যেকে আট হাজার টাকা করে জরিমানা করেছেন।
 
এসএস

আরও পড়ুন  : 

 

কে/এসএস

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়