• ঢাকা মঙ্গলবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১০ আশ্বিন ১৪২৫

লালমনিরহাটে পানিবন্দি ৫ হাজার মানুষ

লালমনিরহাট প্রতিনিধি
|  ০৬ জুলাই ২০১৮, ১০:২৩ | আপডেট : ০৬ জুলাই ২০১৮, ১০:৪১
টানা বর্ষণ আর ভারত থেকে পাহাড়ি ঢল আসায় লালমনিরহাটে সৃষ্ট বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। বন্যার পানিতে প্লাবিত হচ্ছে আরও নতুন নতুন চর।

হাতীবান্ধা উপজেলার দোয়ানী এলাকায় তিস্তা ব্যারেজ পয়েন্টে শুক্রবার সকাল ছয়টায় বিপদসীমার ৮ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে বলে তিস্তা ব্যারেজ কন্ট্রোল রুম সূত্র জানিয়েছে। এতে লালমনিরহাটের পাটগ্রাম, হাতীবান্ধা, কালীগঞ্জ, আদিতমারী ও সদর উপজেলার চরাঞ্চলের ব্যাপক এলাকা প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্দি হয়েছে অন্তত পাঁচ হাজার মানুষ।

বন্যার পানিতে বাড়ি-ঘর ও রাস্তা-ঘাট তলিয়ে যাওয়ায় চরম দুর্বিষহ জীবন-যাপন করছেন লালমনিরহাটের তিস্তা ও ধরলা পারের  মানুষ। বিশেষ করে দহগ্রামের চর, হাতীবান্ধা উপজেলার সানিয়াজান, গড্ডিমারী, ধুবনী, সির্ন্দুনা, পাটিকাপাড়া, ডাউয়াবাড়ী, কালিগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম কাশিরাম, চর বৈরাতী, নোহালী চর, শৈলমারী চর, ভোটমারী চর, হাজিরহাট চর, আমিনগঞ্জ চর, কাঞ্চনশ্বর চর ও রুদ্ধেশ্বর চর, আদিতমারী উপজেলার চণ্ডিমারী, দক্ষিণ বালাপাড়া, আরাজি ছালপাক, চরগোবর্ধন, ও লালমনিরহাট সদর উপজেলার কালমাটি, খুনিয়াগাছা, রাজপুর, তিস্তা, গোকুন্ডা, মোগলহাটসহ তিস্তা-ধরলা নদী তীরবর্তী গ্রামগুলো প্লাবিত হয়েছে।

-------------------------------------------------
আরও পড়ুন : যশোরে 'বন্দুকযুদ্ধে' যুবক নিহত
 ------------------------------------------------

নয় ইউনিয়নের চরাঞ্চলের ব্যাপক এলাকা প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্দি হয়েছে অন্তত পাঁজ হাজার মানুষ। বানের পানির নিচে তলিয়ে গেছে আমন বীজতলা, ভুট্টা, পাট, সবজি ক্ষেতসহ অন্যান্য ফসলের ক্ষেত। এসব এলাকার মানুষজন নিজেদের চেয়ে গৃহপালিত গবাদি পশু ও হাঁস-মুরগী পালন নিয়ে পড়েছেন চরম বিপাকে।

এদিকে জেলার প্রধান দুই নদী তিস্তা ধরলাসহ ১২টি নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতির আশঙ্কা করছেন পানি উন্নয়ন বোর্ড ও স্থানীয় লোকজন। তিস্তার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় হাতীবান্ধা উপজেলার দোয়ানীতে অবস্থিত দেশের সর্ব বৃহত্তম সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজের সবগুলো গেট খুলে দিয়ে পানি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালাচ্ছে ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ড।

জেলা প্রশাসক শফিউল আরিফ আরটিভি অনলাইনকে জানান, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের মাধ্যমে বন্যা পরিস্থিতির নিয়মিত খবর নেয়া হচ্ছে। এছাড়াও পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য জরুরিভাবে প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।

এদিকে জেলার প্রধান দুই নদী তিস্তা ও ধরলাসহ ১২টি নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় আরও ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতির আশঙ্কা করছেন পানি উন্নয়ন বোর্ড ও স্থানীয় লোকজন।

 

আরও পড়ুন :

   গাইবান্ধায় ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে যুবলীগ নেতা খুন

জেবি/জেএইচ

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়