• ঢাকা শনিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৭ আশ্বিন ১৪২৫

প্রধানমন্ত্রীর দেয়া নতুন ঘর পেলেন ফুলবাড়ীয়ার ১২১ ভিক্ষুক

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি
|  ০৪ জুন ২০১৮, ১৭:৫৬ | আপডেট : ০৪ জুন ২০১৮, ১৯:২৩
ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া উপজেলার এনায়েতপুর ইউনিয়নের দুলমা গ্রামে ভিক্ষুক আব্দুল আজিজের টিনশেড ঘর
‘সবার জন্য বাসস্থান’ প্রকল্পের আওতায় ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের এক কোটি ২১ লাখ টাকায় ১২১ জন ভিক্ষুককে বিনামূল্যে বাসস্থান করে দিয়েছে সরকার।

প্রকল্পটি সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) লীরা তরফাদর।

কালাদহ, ভবানীপুর ও এনায়েতপুর ইউনিয়নে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ভিক্ষুক বাসস্থানের প্রতিটি ঘরের দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ সাড়ে ১৬ ফুট করে। ফ্লোরপাকাসহ চার চালা প্রতিটি ঘর তৈরি করতে ব্যবহার করা হয়েছে আকাশমণি কাঠ, ৩৬ মিলি ঢেউটিন, ইট-সিমেন্টের তৈরি ১৭টি মজবুত খুঁটি। ঘরের পাশেই করে দেয়া হয়েছে স্বাস্থ্যসম্মত ল্যাট্রিন।

উপজেলার ভিক্ষুকদের তালিকা দেখে তিনধাপে তদন্ত করে প্রথমধাপে ১২১ জন ভিক্ষুক, যাদের থাকার জমি ছাড়া কিছুই নেই; তাদেরকেই ‘সবার জন্য বাসস্থান’ প্রকল্পের আওতায় টিনশেড ঘর করে দেয়া হয়েছে। দেওখোলা, ফুলবাড়ীয়া, কালাদহ ও এনায়েতপুর ইউনিয়নের ভিক্ষুকদের জন্য বরাদ্দকৃত ঘরের কাজ শেষ হয়েছে। অন্যান্য ইউনিয়নে বরাদ্দকৃত ঘরের কাজও প্রায় শেষ।

--------------------------------------------------------
আরও পড়ুন : যাত্রীদের দুর্ভোগের ওপর নাম ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক
--------------------------------------------------------

কালাদহ ইউপি চেয়ারম্যান মো. নুরুল ইসলাম মাস্টার বলেন, কালাদহ ইউনিয়নে ৬ জন ভিক্ষুককে ঘর তৈরি করে দেয়া হয়েছে। স্বচ্ছ যাচাই-বাছাই করার কারণে ‘সবার জন্য বাসস্থান’ প্রকল্পের আওতায় প্রকৃত ভিক্ষুকরা যাদের ঘর করার সামর্থ্য নেই, তারাই ঘরগুলো পেয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার লীরা তরফদার বলেন, ‘আশ্রায়ণের অধিকার, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার।’ সবার জন্য বাসস্থান কর্মসূচির আওতায় উপজেলার ভিক্ষুকদের তালিকা একাধিকবার যাচাই-বাছাই শেষে স্বচ্ছ তালিকা প্রণয়ন করা হয়। যাদের বাড়ি-ঘরের জমি ছাড়া কিছুই নেই, সেইসব প্রকৃত ভিক্ষুকদের একলাখ টাকা খরচ করে টিনশেড ঘর তৈরি করে দেয়া হয়েছে।

এদিকে পুরান খরকুটো, পলিথিন দিয়ে ভাঙাচোড়া ঘর থেকে এখন সরকারের দেয়া নতুন ঘরে পরিবার নিয়ে থাকতে পেরে রূস্তম আলী, খোদেজা খাতুন, আব্দুল আজিজরা খুশি। তারা এখন ভিক্ষাবৃত্তি ছেড়ে দিয়ে কাজকর্ম করে বাকি জীবনটা চালিয়ে দিতে চান।

আরও পড়ুন :

পি

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়