কুয়াকাটা সৈকতে ভেসে এলো বিশাল আকৃতির তিমি

প্রকাশ | ১৯ মে ২০১৮, ১৫:৪৮ | আপডেট: ১৯ মে ২০১৮, ১৫:৫৭

স্টাফ রিপোর্টার, পটুয়াখালী

পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে একটি মৃত তিমি (বেলিন তিমি) মাছ উদ্ধার করা হয়েছে। 

শনিবার ভোরে কুয়াকাটা সৈকতে এটি ভেসে আসে এবং সকালের দিকে সৈকতের ঝাউবাগান এলাকায় ৪৫ ফুট লম্বা এ তিমি মাছটি প্রথমে চোখে পড়ে পর্যটকদের।

মুহূর্তের মধ্যে খবরটি ছড়িয়ে পড়লে শত শত পর্যটকরা সেখানে ছুটে যান তিমি মাছটি এক নজর দেখার জন্য। 

কুয়াকাটা সৈকতে পাওয়া তিমি মাছটির কঙ্কাল পর্যটকদের জন্য সংরক্ষণের উদ্যোগ নিতে দাবি জানিয়েছেন অনেকেই।

এ প্রসঙ্গে সামুদ্রিক জীব বৈচিত্র্য সংরক্ষণকারী গবেষণা প্রতিষ্ঠান ওয়াইল্ডলাইফ কনজার্ভেশন সোসাইটির মেরিন অ্যাডুকেশন অ্যান্ড ট্রেনিং কোঅরডিনেটর ফারহানা আখতার আরটিভি অনলাইনকে বলেন, কুয়াকাটা সৈকতে ভেসে আসা তিমি মাছটি ব্রিডিস তিমি বা বেলিন তিমি হতে পারে। এ তিমির দাঁত থাকে না, থাকে ছাঁকনির মত অংশ বিশেষ। যার মাধ্যমে পানি থেকে ছোট ছোট মাছ ও চিংড়ি জাতীয় প্রাণী খেয়ে বেঁচে থাকে। 

--------------------------------------------------------
আরও পড়ুন : প্রেমের প্রস্তাবে ব্যর্থ হয়েই দুই কিশোরীকে হত্যা: পুলিশ
--------------------------------------------------------

তিমি মাছ সাধারণত ৪০ থেকে ৫০ ফুটের মতো লম্বা হয়ে থাকে। কালো থেকে ধূসর বর্ণের এ তিমি মাছের পেটের দিকটা অনেকটা হালকা ক্রিম রংয়ের। এদের মাথাটি খাটো ও চওড়া এবং মাথায় তিনটি সমান্তরাল খাঁজ থাকে, যা দিয়ে সহজেই এদের আলাদা করা যায়। তিমি মাছ সাধারণত ১২ বছর বয়স থেকে বাচ্চা জন্ম দিতে পারে। বাংলাদেশের জল সীমানায় সোয়াচ-অব-নো গ্রাউন্ড এলাকায় তিমি মাছ সচরাচর দেখা যায়। 

কলাপাড়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম আরটিভি অনলাইনকে জানান, তিমি মাছটির ব্যাপারে তাদের  দায়-দায়িত্বের মধ্যে নেই। এ বিষয় কুয়াকাটা বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিবেন। 

বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির সদস্য সচিব ও কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানভীর রহমান আরটিভি অনলাইনকে জানান, তিমি মাছ উদ্ধারের খবর পেয়ে তিনি সেখানে যান এবং এ মাছটি সংরক্ষণের জন্য পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথাও বলেছেন। ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি প্রতিনিধি দল ইতোমধ্যে কুয়াকাটার উদ্দেশ্যে রওয়ানাও হয়েছেন। 
তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যায় কর্তৃপক্ষ এ মাছটি সংরক্ষণ করলে ভাল, তা না হলে আপাতত মাছটি সেখানেই পুঁতে রাখা হবে এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আরও পড়ুন :

এসএস