• ঢাকা শুক্রবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৬ আশ্বিন ১৪২৫

নড়াইলে মানহানি মামলায় খালেদার জামিনের আবেদন নামঞ্জুর

নড়াইল প্রতিনিধি
|  ০৮ মে ২০১৮, ১৯:৩৬
মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের সংখ্যা নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য ও বঙ্গবন্ধুকে কটূক্তি করার অভিযোগে দায়েরকৃত মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করেছেন নড়াইলের আদালত।

মঙ্গলবার দুপুরে নড়াইল সদর আমলি আদালতের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নয়ন বড়াল জামিন নামঞ্জুর করেন।

বিবাদীপক্ষের আইনজীবী ও জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট ইকবাল হোসেন সিকদার আরটিভি অনলাইনকে  বলেন, নড়াইলে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলার জামিনের আবেদন আদালত নামঞ্জুর করেছেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম খান বলেন, আদালতের আদেশে আমরা সন্তুষ্ট। 

এ মামলায় ২০১৬ সালের ২৫ জুলাই খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে সমন জারি করেন আদালত। সমন গ্রহণ না করায় ২৩ আগস্ট খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন একই আদালত। 

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৫ সালের ২১ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় ঢাকায় মুক্তিযোদ্ধাদের একটি সমাবেশে বেগম খালেদা জিয়া প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বাধীনতা যুদ্ধে ৩০ লক্ষ শহীদদের সংখ্যা নিয়ে বিতর্ক আছে বলে মন্তব্য করেন। এছাড়া একই সমাবেশে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাম উল্লেখ না করে তাকে (বঙ্গবন্ধু) ইঙ্গিত করে খালেদা জিয়া বলেন, তিনি স্বাধীনতা চাননি। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হতে চেয়েছিলেন, স্বাধীন বাংলাদেশ চাননি। তার এই বক্তব্য বিভিন্ন সংবাদপত্র ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ায় প্রচার হয়। 

মামলার বাদী নড়াইলের জেলা পরিষদের ১ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য, মুক্তিযোদ্ধার সন্তান, নড়াগাতি থানা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও চাপাইল গ্রামের রায়হান ফারুকী ইমাম জেলা  আইনজীবী সমিতি ভবনে বসে এ খবরটি পড়ে মারাত্মকভাবে ক্ষুব্ধ হন। পরে রায়হান ফারুকী বাদী হয়ে ২৪ ডিসেম্বর (২০১৫) দুপুরে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে নড়াইল সদর আমলি আদালতে একটি মামলা দায়ের। 

এদিকে, মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের সংখ্যা নিয়ে বিতর্কিত বক্তব্যের অভিযোগে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার নামে নড়াইলের আদালতে ২০১৫ সালের ২৯ ডিসেম্বর দুপুরে আরও একটি মানহানি মামলা দায়ের করা হয়। এছাড়া মুক্তিযুদ্ধে শহীদ বুদ্ধিজীবী সম্পর্কে বিতর্কিত বক্তব্যের অভিযোগে ওইদিন (২৯ ডিসেম্বর) বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের নামেও একটি মানহানি মামলা করা হয়। মামলা দু’টি দায়ের করেন শহীদ শেখ জামাল জাতীয় স্মৃতি পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও কালিয়া উপজেলার যাদবপুর গ্রামের বাসিন্দা শেখ আশিক বিল্লাহ।

এসএস

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়