ঢাকা রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩

‘চাকরির আশ্বাসে’ ভিসির বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ প্রত্যাহার!

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশ : ২৫ এপ্রিল ২০১৮, ০৮:৩৮ পিএম

গোপালগঞ্জে বঙ্গবন্ধু বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি চাকরি দেয়ার কথা বলে চাকরি দেননি। এজন্য ক্ষুদ্ধ হয়ে স্যারের বিরুদ্ধে এসব (যৌন হয়রানির অভিযোগ) কথা বলেছি। আসলে স্যার খুব ভাল মানুষ। আমাকে ‘চাকরি দেবেন বলে আশ্বাস’ দিয়েছেন।

মঙ্গলবার সকালে গোপালগঞ্জ প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে একথা জানান নারী কর্মচারী আফরিদা খানম ঝিলিক।

ঝিলিক বলেন, ভিসি স্যার আমাকে চাকরি দেয়ার কথা বলে চাকরি দেননি। এজন্য ক্ষুদ্ধ হয়ে স্যারের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির কথা বলেছি। আমি ওই দিনের বক্তব্য প্রত্যার করে নিয়েছি। ভিসি স্যার ভাল মানুষ।

ভিসির বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির যে অভিযোগ করেছিলেন আফরিদা খানম ঝিলিক তা কয়েক ঘন্টার ব্যবধানে প্রত্যাহারের ঘটনা নিয়ে সচেতন মহলে সৃষ্টি হয়েছে নানা প্রশ্ন।

অভিযোগ রয়েছে, ভয়-ভীতি দেখিয়ে ঝিলিককে দিয়ে তার বক্তব্য প্রত্যাহারে বাধ্য করা হয়েছে।

--------------------------------------------------------
আরও পড়ুন : ‘আমার সন্তানের বাবা ভিসি’ জানালেন মাস্টাররোলে কর্মরত নারী
--------------------------------------------------------

গেল সোমবার বিভিন্ন গণমাধ্যমে ভিসি প্রফেসর ড. খন্দকার মোঃ নাসির উদ্দিনের যৌন কেলেঙ্কারির রিপোর্টটি প্রকাশিত হওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসসহ সারাদেশ জুড়ে ওঠে আলোচনার ঝড়। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে শিক্ষক, ছাত্র ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরে বিষয়টি নিয়ে কানাঘুষা করতে দেখা যায়। ঘটনার নিন্দা জানান অনেকে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষকদের অনেকেই বলছেন, ভিসিকে নিয়ে যে ঘটনা প্রকাশিত হয়েছে তার সত্যতা রয়েছে। এই ভিসির জন্য আমরা পিছিয়ে যাচ্ছি। অযোগ্য ব্যক্তিদের শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দিয়ে শিক্ষার পরিবেশ ধ্বংস করে দেয়া হচ্ছে। সেইসাথে ভিসিকে নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ আমাদের লজ্জার কারণ হয়ে দাড়িয়েছে। অনেকে মনে করছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম অক্ষুন্ন রাখার স্বার্থে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।

এদিকে, গোপালগঞ্জের সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা দাবী করেন যে, আফরিদা খাতুন ঝিলিকের প্রচারিত বক্তব্য যদি অসত্য হয়, তবে তাকে আইনের আওতায় না এনে কেন চাকরির প্রস্তাব দেয়া হলো? এমন অসৎ ব্যক্তিদের যেন চাকরিতে না নেয়া হয় এমন দাবিসহ তারা ঘটনার সুষ্ঠ তদন্ত ও বিচার দাবি করেন। কেউ কেউ মন্তব্য করেছেন, শিশুটির পিতৃত্ব নির্ধারণে ডিএনএ টেষ্ট করা হোক। এত বড় অভিযোগ শুধুমাত্র চাকরির আশ্বাস ও সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে নিষ্পত্তি হতে পারে না।

বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্ট অনেকে বলেছেন, আফরিদা খাতুনের বক্তব্যে ভিসির মতো একজন সম্মানিত ব্যক্তির সুনাম ক্ষুন্ন হয়েছে। তাছাড়া আফরিদা খাতুনকে অভিযোগ প্রত্যাহারের প্রেক্ষিতে চাকরি দেয়ার যে আশ্বাস প্রদান করা হয়েছে তাও যুক্তিসংগত নয়। বরং অভিযোগ প্রমাণিত হলে দোষীকে শাস্তির আওতায় আনা উচিত।

উল্লেখ্য, গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ এনে গণমাধ্যমে কথা বলেছিলেন নারী কর্মচারী। ঝিলিক।

নিজের সন্তানের বাবা ভিসি দাবি করে গেলো রোববার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ভিসির অফিস কক্ষের সামনে শিশু সন্তানকে বুকে জড়িয়ে চিৎকার করে প্রতিবাদ জানান ঝিলিক। তিনি এই বিশ্ববিদ্যালয়ে মাস্টাররোলে এমএলএসএস হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত।

গেলো ২২ এপ্রিল ২১ মিনিটের ভিডিও ক্লিপ ও ২৩ এপ্রিল সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, ঝিলিক তার এক বছর বয়সী কন্যাসন্তানের পিতৃত্বের দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দ্বারস্থ হন। এসময় তিনি ভিসিকে তার সন্তানের বাবা দাবি করে চিৎকার করে বলতে থাকেন ‘এ সন্তান ওনার, এ সন্তানের সঙ্গে ওনার চেহারার অনেক মিল আছে। এসময় ভিসি খোন্দকার নাসির উদ্দীন তার লোকজন দিয়ে ঝিলিককে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনের তৃতীয় তলার একটি কক্ষে দীর্ঘসময় আটকে রাখেন। এদিকে ভিসির নারী কেলেঙ্কারির বিষয়টি এখন টক অব দ্য কান্ট্রিতে পরিণত হয়েছে।

আফরিদা খাতুন ঝিলিকের আর্তনাদের ধারণকৃত ভিডিও ক্লিপে আরও দেখা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. খোন্দকার নাসির উদ্দিন চাকরি দেয়ার কথা বলে তাকে বিভিন্ন সময় যৌন হয়রানি করেছেন, এমন অভিযোগ ঝিলিকের। এছাড়া সহায় সম্পত্তি করে দেয়ার আশ্বাস প্রদান ও ভালোবাসার ছলনায় প্রলুব্ধ করে দিনের পর দিন তার বাংলোয় রেখে তাকে ব্যবহার করেন।

নির্যাতিত ঝিলিক বলেন, আজ আমি সবকিছু ফাঁস করে দেব। খুলে দেব মানুষ নামের নরপশুর মুখোশ। এছাড়া ভিসিকে তার কন্যা সন্তানের বাবা হিসেবে দাবি করেন। এসময় তিনি দাবি করেন, আমার কাছে এমন সব ভিডিও ক্লিপ আছে যা আমার দাবিকে প্রমাণ করবে।

‘তুমিও এতিম আমিও এতিম, তুমি আমার কষ্ট বুঝবে-আমি তোমার কষ্ট বুঝব’ এমন সব আবেগী বক্তব্য দিয়ে ঝিলিককে ব্ল্যাকমেইল করেন ভিসি।

পরে বিভিন্ন প্রলোভন দিয়ে ঝিলিককে ভোগ করেন ভিসি নাসির। একপর্যায় তিনি গর্ভবতী হয়ে পড়েন। তখন গর্ভের সন্তান নষ্ট করার জন্য চাপ প্রয়োগ করেন ভিসি। কিন্তু সন্তান নষ্ট করতে অস্বীকার করেন ঝিলিক। ফলে ঝিলিককে চোর অপবাদ দিয়ে বাংলো থেকে বের করে দেয়া হয়। পরবর্তীতে ঝিলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের পার্শ্বে অবস্থিত সোনাকুড় গ্রামে বাসা ভাড়া নিলে ভিসি তার ক্যাডার বাহিনী দিয়ে ঝিলিককে মারপিট করায় এবং তাকে ওই এলাকা ছেড়ে চলে যেতে বলে।

ঝিলিকের অভিযোগ, পরবর্তীতে একটি সমঝোতার মাধ্যমে ঝিলিককে প্রতি মাসে আট হাজার টাকা প্রদানের অঙ্গীকার করেন ভিসি নাসির। ঝিলিকের ব্যবহৃত গ্রামীণ ফোন নম্বরে বিকাশ অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে ওই টাকা পাঠিয়ে দেয়া হতো। সর্বশেষ গেলো ২৪ মার্চ বিকাশের মাধ্যমে ঝিলিককে আট হাজার টাকা পাঠানো হয়। ভিসির আস্থাভাজন ও প্রভাবশালী বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন প্রশাসনিক একজন কর্মকর্তা এ দায়িত্ব পালন করতেন।

তিনি ওই দিন বলেছিলেন, প্রয়োজনে গণমাধ্যমের দারস্থ হবেন। জীবনযুদ্ধে পরাজয় মানতে নারাজ তিনি। সুযোগ পেলে প্রধানমন্ত্রীর কাছে গিয়ে ভিসি নাসিরের বিরুদ্ধে নালিশ জানাবেন এবং প্রতারণার বিচার চাইবেন বলেও জানান ঝিলিক।

আরও পড়ুন :

জেএইচ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সীতাকুণ্ডে যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে দুই পক্ষের সংঘর্ষের সময় এক যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। নিহতের নাম সৈয়দ মোহাম্মদ দাউদ সম্রাট (৩৮)। আজ সোমবার বিকেলে সীতাকুণ্ড উপজেলার কলেজ রোড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত দাউদ পৌরসভার মধ্য মহদেবপুর ৪নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা সৈয়দ মোহাম্মদ আবুল হোসেনের ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সীতাকুণ্ড উপজেলার কলেজ রোড দিয়ে দাউদ সম্রাট বিকেলে সহযোগীদের নিয়ে যাওয়ার সময় তার প্রতিপক্ষ তাকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। দ্রুত তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এসময় তার দুই সহযোগীও আহত হয়। সীতাকুণ্ড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ দেলোয়ার হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে আরটিভি অনলাইনকে বলেন, বিকেল ৫টার দিকে কলেজ এলাকায় দুই গ্রুপের আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে দাউদ সম্রাট নামে এক যুবলীগ নেতা খুন হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। আরএস/পি
সীতাকুণ্ডে যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপি-জামায়াতের বিদায়ঘণ্টা বেজে গেছে: ইনু
বিএনপি-জামায়াত নির্বাচনে পরাজিত হলে ফলাফল মানে না। যুক্তি ছাড়াই পুনঃনির্বাচনের দাবি তোলে। এটাই তাদের ইতিহাস। বললেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনু। সোমবার দুপুরে কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা ডাক বাংলো বাসভবনে কুষ্টিয়া-২ আসন থেকে নৌকা প্রতীকে বিজয়ী হওয়ার পর শুভেচ্ছা গ্রহণকালে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। ইনু বলেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে বিএনপি-জামায়াতের রাজনৈতিক বিদায়ঘণ্টা বেজে গেছে। এবার জাতীয় পতাকা হাতে গণতান্ত্রিক ও অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ মাথা উঁচু করে এগিয়ে যাবে। যেভাবে ভোটের মাধ্যমে দেশবিরোধী অপশক্তি বিএনপি-জামায়াত ঐক্যফ্রন্টকে প্রত্যাখ্যান করেছে জনগণ। এসময় ইনু আরও বলেন, বিপুল বিজয়ের মাধ্যমে দেশবাসী যে দায়িত্ব শেখ হাসিনা ও আমাদেরকে দিয়েছে সেই দায়িত্ব পালনে উন্নয়নের অগ্রযাত্রা ধরে রাখতে হবে। রাজনৈতিক শান্তি বজায় রাখতে হবে। বৈষম্য-দুর্নীতি রোধ করতে সুশাসনের জন্য আরও শক্ত হাতে কাজ করব। কুষ্টিয়া-২ (মিরপুর-ভেড়ামারা) আসন থেকে নৌকা প্রতীক নিয়ে বিজয়ী হওয়ার জন্য বিভিন্ন মহল থেকে দেওয়া ফুলেল শুভেচ্ছা গ্রহণ করেন হাসানুল হক ইনু। এসময় স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও জাসদের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। আরএস/পি
বিএনপি-জামায়াতের বিদায়ঘণ্টা বেজে গেছে: ইনু
ধানের শীষ প্রার্থীকে মিষ্টি খাওয়ালেন নৌকার বিজয়ী প্রার্থী
নওগাঁ-৫ (সদর) আসনের নৌকার প্রার্থী ব্যারিস্টার নিজাম উদ্দিন জলিল জন বিপুল ভোটে জয়ী হবার পর তার নিকটতম ধানের শীষ প্রার্থী জাহিদুল ইসলাম ধলুকে মিষ্টি খাওয়ান। আজ সোমবার বিকেলে নওগাঁ-৫ আসনের নবনির্বাচিত নৌকার প্রার্থী ব্যারিস্টার নিজাম উদ্দিন জলিল ধানের শীষ প্রার্থী জাহিদুল ইসলাম ধলুর বাসায় গিয়ে তার সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। একে অপরকে মিষ্টি খাওয়ান এবং কুশল বিনিময় করেন। এ সময় তারা দুইজনই নওগাঁর বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড নিয়ে আলোচনা করেন। এ সময় নওগাঁ জেলা আওয়ামী লীগ ও বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। নিজাম উদ্দিন জলিল জন আওয়ামী লীগের প্রয়াত সাধারণ সম্পাদক আবদুল জলিলের ছেলে। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যারা বিজয়ী হয়েছেন তাদের মধ্যে কম বয়সী প্রার্থী হলেন তিনি। আরএস/পি
ধানের শীষ প্রার্থীকে মিষ্টি খাওয়ালেন নৌকার বিজয়ী প্রার্থী
ডোবায় মিললো ইটে বাঁধা আট মাসের শিশুর মরদেহ
বাগেরহাটে ডোবা থেকে ৮ মাস বয়সী এক অজ্ঞাতনামা শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।    গতকাল রোববার রাত ১১টার দিকে বাগেরহাট পৌর শহরের মনিকা সিনেমা হলের সামনের একটি ডোবা থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে বাগেরহাট মডেল থানা পুলিশ। শিশুটি ছেলে সন্তান বলে জানায় পুলিশ।   বাগেরহাট মডেল থানার ওসি মাহাতাব উদ্দিন জানান, এলাকাবাসীর কাছ থেকে খবর পেয়ে পুলিশ ডোবা থেকে অজ্ঞাত পরিচয় আনুমানিক আট মাস বয়সী একটি ছেলে শিশুর মরদেহ উদ্ধার করে।  তিনি বলেন, শিশুটির শরীরে ইট বাঁধা ছিল। ধারণা করা হচ্ছে, অপরাধীরা শিশুটিকে হত্যার পর ইটের সঙ্গে বেঁধে পানিতে ফেলে দেয়। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আরএস/এসএস
ডোবায় মিললো ইটে বাঁধা আট মাসের শিশুর মরদেহ
নাসিরনগরে দু’পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ২
পূর্ব বিরোধের জেরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার গোয়ালনগর ইউনিয়নের রামপুর গ্রামে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় দুইজন নিহত হয়েছেন।  সোমবার বিকেলে ৪টার দিকে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।  নাসিরনগর থানার ওসি সাজিদুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এসএস 
নাসিরনগরে দু’পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ২
আরও পড়ুন
নৌকায় ভোট চাইলেন রিয়াজ-ফেরদৌস
গোপালগঞ্জ-৩ আসনে শেখ হাসিনার মনোনয়নপত্র দাখিল
বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার শুভ জন্মদিন
লিস্টে তো গোপালগঞ্জের কেউ নেই, সবার বাড়ি দেখি কুষ্টিয়া: প্রধানমন্ত্রী