• ঢাকা মঙ্গলবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১০ আশ্বিন ১৪২৫

ভূমিধস ও বন্যার ঝুঁকিতে লাখো রোহিঙ্গা ও স্থানীয়রা

টেকনাফ প্রতিনিধি
|  ২১ এপ্রিল ২০১৮, ১৭:১৯ | আপডেট : ২১ এপ্রিল ২০১৮, ১৭:৪৬
আসছে বর্ষা মৌসুম। এই মৌসুমে ভূমিধস ও বন্যার ঝুঁকিতে রয়েছেন মিয়ানমার থেকে বিতাড়িত হয়ে আসা লাখ লাখ রোহিঙ্গা। সেইসঙ্গে ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন স্থানীয়রাও।

কক্সবাজারের সীমান্ত উপজেলা টেকনাফ ও উখিয়ার উঁচু পাহাড় ও পাদদেশে বাস করছে লাখ লাখ রোহিঙ্গা। এদের মধ্যে অনেকে পাহাড় কেটে ও গাছপালা ন্যাড়া করে ঝুপড়ি ঘর তৈরি করেছে। ফলে আসন্ন বর্ষা মৌসুমে রোহিঙ্গারা তো বটেই স্থানীয়রাও রয়েছে ভূমিধস ও বন্যার ঝুঁকিতে।

গেলো বছরের ২৪ আগস্টের পর থেকে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর অত্যাচারে লাখ লাখ রোহিঙ্গা পালিয়ে এসে টেকনাফ ও উখিয়া উপজেলায় আশ্রয় নিয়েছে। কিন্তু যেসব রোহিঙ্গা পরিবার পাহাড়ের চূড়ায় ও পাদদেশে রয়েছে ভারী বর্ষণ হলে তাদের দুর্ঘটনায় পড়ার সম্ভবনা রয়েছে। জাতিসংঘের তথ্যমতে অন্তত দেড় লাখ রোহিঙ্গা এই দুর্ঘটনা ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।

তবে এরইমধ্যে সরকারি ও বেসরকারিভাবে ঝুঁকিতে থাকা বেশ কিছু রোহিঙ্গা পরিবারকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়া হয়েছে।

--------------------------------------------------------
আরও পড়ুন : বাথরুম থেকে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, স্বামী পলাতক
--------------------------------------------------------

এ দুই উপজেলায় প্রায় পাঁচ হাজার একর ভূমি দখল করে রেখেছে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গারা। কৃষিজমি, পাহাড় ও বন উজাড় করে নির্মিত এই বসতি স্থানীয়দের জন্য বিরাট ঝুঁকি তৈরি করেছে। এরইমধ্যে পাহাড়ি মাটি এসে নদী-নালা, খাল-বিল ভরে যাওয়াতে বন্যার সম্ভবনা বৃদ্ধি পেয়েছে।

স্থানীয় এক বাসিন্দা জানান, রোহিঙ্গাদের কারণে সামনের বর্ষা মৌসুমে পাহাড়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

এনজিও কর্মী মো. মুমিনুর রহমান আরটিভি অনলাইনকে জানান, বর্ষা মৌসুমে পরিকল্পিত বাঁধের মাধ্যমে পানি ধরে রাখা প্রয়োজন। অন্যথায় পানির লেয়ার কমে গেলে রোহিঙ্গা ও স্থানীয় বাসিন্দা সবাই ঝুঁকির মধ্যে থাকবে।

টেকনাফ বিজিবি-২ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল আছাদুদ জামান চৌধুরী আরটিভি অনলাইনকে জানান, ঝুঁকিতে থাকা রোহিঙ্গা ও স্থানীয়দের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া না হলে বর্ষা মৌসুমে মহামারী আকার ধারণ করতে পারে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. নিকারুজ্জামান চৌধুরী রবিন আরটিভি অনলাইনকে বলেন, ঝুঁকিতে থাকা রোহিঙ্গাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার জন্য নতুন করে পাঁচশ’ একর ভূমি নির্ধারণ করা হয়েছে। এরইমধ্যে তাদেরকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন : 

জেবি/এসএস

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়