• ঢাকা শুক্রবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৬ আশ্বিন ১৪২৫

শেরপুরে হত্যা মামলায় একজনের মৃত্যুদণ্ড, দুজনের যাবজ্জীবন

শেরপুর প্রতিনিধি
|  ০১ এপ্রিল ২০১৮, ২১:৩৭ | আপডেট : ০১ এপ্রিল ২০১৮, ২১:৪০
শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে ২০১৫ সালের একটি ছিনতাই ও হত্যা মামলায় একজনের মৃত্যুদণ্ড এবং দুজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির নাম মো. নাজমুল(২৫)। তিনি নালিতাবাড়ী উপজেলার বুরুঙ্গা পোড়াবাড়ি গ্রামের হাবিবুর রহমান ওরফে হবি মিয়ার ছেলে।

যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন একই গ্রামের মৃত মোহাম্মদ আলীর ছেলে সাজু আহম্মেদ ওরফে খোকন(২৩) এবং আস্কর আলী ওরফে হানিফ দেওয়ানী ওরফে বড়’র ছেলে মো. মমিন(২১)।

--------------------------------------------------------
আরও পড়ুন: ‘সুন্দরবনকে এই বছরেই দস্যুমুক্ত ঘোষণা করা হবে’
--------------------------------------------------------

প্রত্যেক আসামিকে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত দুই আসামির ৪ মাসের কারাদণ্ডের আদেশ প্রদান করা হয়।

সাক্ষ্যপ্রমাণ বিশ্লেষণ শেষে আসামিদের অনুপস্থিতিতে রোববার দুপুরে শেরপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ মোছলেহ উদ্দিন এই দণ্ডাদেশ দেন।

সহকারী সরকারি কৌঁসুলি(এপিপি) মো. ইমাম হোসেন ঠান্ডু রাষ্ট্রপক্ষে এবং নারায়ণ চন্দ্র হোড় ও আবুজর গাফফারী আসামিপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০১৫ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি বিকেলে শেরপুর সদর উপজেলার যোগনীমুড়া গ্রামের আ. রাজ্জাক, ফারুক আহমেদ, শামিম মিয়া ও রাকিব হাসান ইমন নালিতাবাড়ী উপজেলার মধুটিলা ইকোপার্কে বেড়াতে যান।

তারা ইকোপার্কের পার্শ্ববর্তী মাটিকাটাগোফ পাহাড়ে উঠলে আগে থেকে ছিনতাইয়ের জন্য ওৎ পেতে থাকা নাজমুল, সাজু ও মমিন ধারালো অস্ত্র দেখিয়ে তাদেরকে মোবাইল ও নগদ টাকা দিতে বলে।

মোবাইল ও টাকা দিতে রাজি না হলে ধারালো ডেগার, চাকু ও দা দিয়ে কুপিয়ে রাজ্জাক, ফারুক, শামিম ও রাকিবকে গুরুতর আহত করেন তারা। এসময় ভুক্তভোগীদের চিৎকারে স্থানীয় রাখালরা এগিয়ে এলে তারা পালিয়ে যান।

ইকোপার্কে কর্তব্যরত পুলিশকে খবর দেয়া হলে তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে রাখালদের সহযোগিতায় আহতদের উদ্ধার করে। রাজ্জাক ঘটনাস্থলেই মারা যান।

এই ঘটনায় পরদিন নালিতাবাড়ী থানায় ছিনতাই ও হত্যা মামলা করেন নিহত রাজ্জাকের বাবা মো. সোহরাব আলী। পরে নালিতাবাড়ী থানা পুলিশ আসামিদের গ্রেপ্তার করে। তারা কারাগারে থাকার পর উচ্চ আদালত থেকে জামিন লাভ করেন।

মামলার তদন্ত শেষে ওই বছরের ৩১ আগস্ট নালিতাবাড়ী থানার তৎকালীন উপ-পরিদর্শক(এসআই) মো. আরিফ হোসাইন এই তিনজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

আরও পড়ুন: 

কে/

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়