• ঢাকা রবিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৮ আশ্বিন ১৪২৫

নরসিংদীতে রাস্তার পাশে যুবলীগ নেতার মরদেহ

স্টাফ রিপোর্টার, নরসিংদী
|  ২৭ মার্চ ২০১৮, ১৪:৫৮ | আপডেট : ২৭ মার্চ ২০১৮, ১৫:০৮
নরসিংদী সদর উপজেলায় এক যুবলীগ নেতাকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

মঙ্গলবার সকালে শিবপুর উপজেলার ঢাকা-মনোহরদী আঞ্চলিক সড়কের পাশে পুরানদিয়া জামতলা এলাকা থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহত যুবলীগ নেতার নাম মাহমুদুল হাসান সৈকত (৩৩)। তিনি সদর উপজেলার শীলমান্দি ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক এবং দক্ষিণ শীলমান্দি এলাকার রুস্তম আলীর ছেলে। এদিকে নিহত সৈকতের বন্ধু সুজন এখনও নিখোঁজ রয়েছে।

--------------------------------------------------------
আরও পড়ুন: স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে হামলা, যুবলীগের আহ্বায়ক গ্রেপ্তার
--------------------------------------------------------

নিহত সৈকত রাজনীতির পাশাপাশি পাট ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। এই ব্যবসাকে কেন্দ্র করেই সৈকতকে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি স্বজনদের।

শিবপুর থানার এসআই মিজানুর রহমান নিহতের স্বজনদের বরাদ দিয়ে আরটিভি অনলাইনকে বলেন, নিহত সৈকত গতকাল সোমবার দুপুরে ভাত খেয়ে গাড়ি নিয়ে বের হন। রাতে আর বাসায় ফেরেননি। ফোন করলে বন্ধ পাওয়া যায়। এরপর আজ মঙ্গলবার সকালে শিবপুর সড়কের পাশে হাত-পা বাঁধা মরদেহ পাওয়া যায়।

এসআই আরও জানান, রাস্তার পাশে সৈকতের মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয় স্থানীয়রা। খবর পেয়ে পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

সৈকতের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলেও জানান এসআই মিজানুর রহমান। নিহতের বড় ভাই মো. খোরশেদ আলম প্রিন্স আরটিভি অনলাইনকে বলেন, মাহমুদুল রাজনীতির পাশাপাশি ঢাকা ও নরসিংদীর বিভিন্ন কারখানায় পাট বেচাকেনা করতেন।

নিখোঁজ সুজনের ভাই শরিফুল ইসলাম আরটিভি অনলাইনকে বলেন, সৈকত ভাই ও আমার বড় ভাই সুজন ঘনিষ্ঠ বন্ধু। কয়েকদিন আগে ব্যবসায়িক লেনদেনকে কেন্দ্র করে সৈকত ও সুজন ভাইয়ের সঙ্গে কয়েকজনের দ্বন্দ্ব হয়। তারা বাড়িতে এসে হুমকিধমকি দিত। গত কয়েকদিন আগে সুজন ভাইকে তারা জোর করে ধরে নিয়ে যায়। একদিন পর তিনি ফিরে এলেও এবার আর ফিরে আসেনি। আমাদের ধারণা তারাই সৈকত ভাইকে হত্যা করেছে। সুজন ভাইয়ের কী হয়েছে তা এখনও জানি না।

আরও পড়ুন:

জেবি/পি

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়