• ঢাকা শনিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৭ আশ্বিন ১৪২৫

নিহত ক্যাপ্টেন আবিদের বাবাও পাইলট ছিলেন

নওগাঁ প্রতিনিধি
|  ১৬ মার্চ ২০১৮, ১৯:৩৫ | আপডেট : ১৬ মার্চ ২০১৮, ১৯:৪৪
সম্প্রতি নেপালের কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিধ্বস্ত ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের উড়োজাহাজটির প্রধান বৈমানিক ছিলেন ক্যাপ্টেন আবিদ সুলতান। তিনি মঙ্গলবার সকালে কাঠমান্ডুর নরভিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। নিহত ক্যাপ্টেন আবিদ সুলতানের পৈত্রিক বাড়ি নওগাঁর রাণীনগর উপজেলার সদর ইউনিয়নের খট্টেশ্বর খাঁনপাড়ায়।

তার পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, তার বাবা মরহুম এমএ কাশেম খাঁনও পাইলট ছিলেন। আবিদ সুলতানের বাবা প্রায় ৬৫ বছর আগে পড়াশুনা ও চাকরির সুবাদে ঢাকায় বসবাস শুরু করেন। তাই গ্রামের পৈত্রিক বাড়িতে তাদের স্মৃতি চিহ্ন বলতে শুধু রয়েছে ইটের প্রাচীর ঘেরা একটি পুরান বাড়ি।

আবিদের জন্ম ও বড় হওয়া ঢাকায়। শুধু তাদের দূরসম্পর্কীয় কিছু আত্মীয় স্বজনরা বর্তমানে আবিদ সুলতানের পৈত্রিক বাড়িটি সংস্কার করে বসবাস ও পৈত্রিকভাবে পাওয়া তাদের জমিজমা দেখভাল করছেন। আবিদ সুলতানের অন্যান্য ভাইয়েরা অনেকদিন পর পর তাদের গ্রামের বাড়িতে এলেও আবিদ সুলতান তেমন একটা আসতেন না গ্রামের বাড়িতে। আবিদ সুলতানের মায়ের নাম সালেহা বেগম। তিনিও পরলোক গমন করেছেন।

মেধাবী আবিদ সুলতানরা ছিলেন ৫ ভাই। আবিদ সুলতান বিয়ে করেছেন নাটোর জেলার নলডাঙ্গা উপজেলায়। তার একটি মাত্র ছেলে তানজিব বিন সুলতান। তানজিব ঢাকায় লেভেলে পড়াশোনা করছে। আবিদের মৃত্যুতে তার পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। আবিদ সুলতানের লাশ বনানীর সামরিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।

রাণীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সোনিয়া বিনতে তাবিব বলেন, খবর পেয়ে আবিদ সুলতানের পৈত্রিক বাড়িটি পরিদর্শন করেছি। দীর্ঘদিন তাদের এই পৈত্রিক  বাড়িতে যাওয়া-আসা নেই। তাই এখানে তাদের স্মৃতিচিহ্ন বলতে তাদের একটি মাটির বাড়ি ছাড়া আর কিছুই পাওয়া যায়নি। আবিদ সুলতানের বাবা মারা যাবার পর তাদের পরিবারের সদস্যরা এই বাড়িতে খুবই কম আসতেন।

আরও পড়ুন :

পি

 

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়