• ঢাকা মঙ্গলবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১০ আশ্বিন ১৪২৫

চেতনানাশকে অজ্ঞান একই পরিবারের ১৩ জন

ভৈরব সংবাদদাতা
|  ২০ ডিসেম্বর ২০১৭, ২০:২২
কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলায় চেতনানাশক স্প্রেতে একই পরিবারের নারী-শিশুসহ ১৩ জনকে অজ্ঞান করেছে দুর্বৃত্তরা।

তাদের মধ্যে তিনজন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছে। বাকি ১০ জনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. এন কে এম জাহাঙ্গীর আলম আরটিভি অনলাইনকে জানিয়েছেন ২৪ থেকে ৭২ ঘণ্টা অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত রোগীরা আশঙ্কামুক্ত কি না বলা যাচ্ছে না।

মঙ্গলবার দিনগত রাত ১২টার দিকে পৌর শহরের কমলপুর গাছতলা ঘাটের কাঠ ব্যবসায়ী মরহুম হাজী তেলু মিয়ার বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে।

আহতরা সবাই তেলু মিয়ার স্ত্রী-সন্তান, পুত্রবধূ ও নাতি-নাতনি। তবে ওই ঘটনায় বাড়ির কোনো মালামাল খোয়া যায়নি। এ নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। 

খবর পেয়ে বুধবার সকালে ভৈরব থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক অভিজিৎ চৌধুরী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা চুরির উদ্দেশ্যে চোরচক্র ঘটনাটি ঘটিয়ে থাকতে পারে।

পুলিশের উপ-পরিদর্শক অভিজিৎ চৌধুরী আরটিভি অনলাইনকে জানান, মঙ্গলবার রাত ১১টার দিকে মরহুম তেলু মিয়ার স্ত্রী ফুল মেহের বানু, তার বড় ছেলে শিশু মিয়া ও ছোট ছেলে জুয়েলসহ পরিবারের ১৩ সদস্য রাতের খাবার খেয়ে তিনতলা ভবনের নিচের তলায় ঘুমিয়ে পড়েন।

রাত সাড়ে ১১টার দিকে শিশু মিয়ার মেঝো ছেলে রুবেল মিয়া বাইরে থেকে দরজা আটকে দোকানে যান। আধা ঘণ্টা পর ফিরে দরজাটি খোলা দেখতে পান তিনি। ভেবে নেন পরিবারের কেউ হয়তো দরজাটা খুলে রেখেছেন। কিন্তু রুমে ঢুকে নিজেকে হঠাৎ টালমাটাল অনুভব করেন। সঙ্গে সঙ্গে উঠানে এসে চিৎকার শুরু করেন রুবেল। তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন ঘরের ভেতর প্রবেশ করে সবাইকে অজ্ঞান অবস্থায় দেখতে পান। পরে তাদেরকে দ্রুত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে নেওয়ার পর তিনজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়। বাকি ১০ জনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

জানতে চাইলে ভৈরব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোখলেছুর রহমান আরটিভি অনলাইনকে জানান, বিষয়টি নিয়ে পুলিশ কাজ করছে।

দুর্বৃত্তদের গ্রেপ্তার করতে পারলে আসল উদ্দেশ্য বেরিয়ে আসবে বলেও জানান ওসি।

জেবি/এমকে

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়