close
ঢাকা, রোববার, ১৭ ডিসেম্বর ২০১৭ | ০৩ পৌষ ১৪২৪

বিয়ের চাপ দেয়ায় প্রেমিকাকে সাত টুকরা!

বরগুনা প্রতিনিধি
|  ২৪ অক্টোবর ২০১৭, ২০:৪৫
বরগুনার আমতলী উপজেলার হাসপাতাল সড়কে অ্যাডভোকেট মাঈনুল আহসান বিপ্লব তালুকদারের বাসা থেকে মালা (১৭) নামে এক কলেজ ছাত্রীর সাত টুকরা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে আলমগীর হোসেন পলাশ(৪৫) নামে এক যুবককে আটক করা হয়েছে। 

আমতলী থানার ওসি মো. শহিদ উল্লাহ মরদেহ উদ্ধারের কথা আরটিভি অনলাইনকে নিশ্চিত করে জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আলমগীর হোসেন পলাশ ওই ছাত্রীকে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন।

ওসি জানান, বরগুনা সদর উপজেলার গুদিঘাটা গ্রামের আব্দুল মন্নান হাওলাদারের মেয়ে এবং কলাপাড়া মোজাহার উদ্দিন বিশ্বাস কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্রী মালার সঙ্গে পটুয়াখালী জেলার মির্জাগঞ্জ উপজেলার বাসন্ডা গ্রামের মৃত্যু আবদুল লতিফ হাওলাদারের ছেলে বরগুনার ঘটবাড়িয়া আদর্শ কলেজের প্রভাষক আলমগীর হোসেন পলাশের ৭ বছর পূর্বে প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হয়। তখন মালা সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। সম্পর্কের জের ধরে গেলো ২২ অক্টোবর পলাশ তার প্রেমিকা মালাকে নিয়ে তার ভাগ্নি জামাই আমতলী হাসপাতাল সড়কের বাসিন্দা অ্যাডভোকেট মাঈনুল আহসান বিপ্লব তালুকদারের বাসায় বেড়াতে নিয়ে আসেন। 

মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে মাঈনুলের স্ত্রী তার ছেলেকে নিয়ে স্কুলে গেলে বেলা আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে পলাশ ধারালো বটি দিয়ে মালাকে জবাই করে। পরে মালার শরীর থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন করে এবং হাত-পা ও দেহ সাত খণ্ড করে দুটি ড্রামে ভরে মরদেহ বাসার একটি কক্ষে লুকিয়ে রাখে। পরে ভাগ্নি জামাই মাঈনুল বিষয়টি পুলিশকে জানায়। বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে পুলিশ ড্রাম থেকে মরদেহ উদ্ধার করে।

ওসি আরো জানান, আলমগীর হোসেন পলাশকে আটক করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পলাশ খুনের কথা স্বীকার করে জানিয়েছেন, মালা তাকে বিয়ের জন্য চাপ দেয়ায় তাকে খুন করা হয়েছে। 

বরগুনার পুলিশ সুপার বিজয় বসাক পিপিএম, আমতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সরোয়ার হোসেন, আমতলী-তালতলী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার আবদুল ওয়ারেছ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। 

পুলিশ সুপার বিজয় বসাক পিপিএম জানিয়েছেন, খুনের সঙ্গে আরো কেউ জড়িত আছে কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এসএস

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়