• ঢাকা শনিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৭ আশ্বিন ১৪২৫

রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পে কাজ শুরু করেছে সেনাবাহিনী

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট, টেকনাফ
|  ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ১৩:১১ | আপডেট : ০৪ অক্টোবর ২০১৭, ১৯:৪৪
রোহিঙ্গাদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ ও পুনর্বাসনে কাজ শুরু করেছে সেনাবাহিনী। শনিবার সকালে উখিয়ায় রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পে সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ বিতরণে কাজ শুরু করে সেনা সদস্যরা।

কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক আলী হোসেন আরটিভি অনলাইনকে বলেন, জেলা প্রশাসনের নেতৃত্বে এবং কর্নেল মেসবার সমন্বয়ে সেনাবাহিনীর সদস্যরা এ কাজ শুরু করেছেন।

তিনি আরো বলেন, রোহিঙ্গাদের জন্য সরকার উখিয়ায় যে দুই হাজার একর জমি নির্ধারণ করে দিয়েছে সেখানে সেনাবাহিনী তৈরি করবে ১৪ হাজার শেড। এসব শেডের প্রতিটিতে ৬ জন করে ৮৪ হাজার পরিবারকে বসবাসের সুযোগ করে দেয়া হবে।

শেড নির্মাণের পাশাপাশি ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমও পরিচালনা করছে সেনাবাহিনী। জেলা প্রশাসন এতে সমন্বয় করবে।

প্রাথমিকভাবে সেনাবাহিনীর সদস্যরা ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা রোহিঙ্গাদের একত্রে জড়ো করছে। তারা ত্রাণ বিতরণের পাশাপাশি রাস্তা-ঘাট ও পয়নিষ্কাশন ব্যবস্থার জন্য কাজ শুরু করবে বলে জানান জেলা প্রশাসক।

এর আগে শুক্রবার সারাদিন সেনাবাহিনীর সংশ্লিষ্টরা রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্প এলাকা পরিদর্শন করে কাজের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন।

এদিন এক সংবাদ সম্মেলনে জেলা প্রশাসক আলী হোসেন জানিয়েছিলেন, মিয়ানমারে নির্যাতনের মুখে অন্তত ৪ লাখ ৩০ হাজার রোহিঙ্গা পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। হঠাৎ করে সীমান্তের এ পাড়ে বিভিন্ন এলাকায় আশ্রয় নেয়া বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গার মাঝে ত্রাণ বিতরণ এবং সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা প্রশাসনের পক্ষে অনেকটা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে। এ কারণে সেনাবাহিনীর সহায়তা চাওয়া হয়েছে।

ত্রাণ বিতরণ ও পুনর্বাসনে সেনাবাহিনীর অংশগ্রহণ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশনার আলোকে করা হয়েছে বলেও জানান জেলা প্রশাসক।

তিনি আরো বলেন, ‘সার্বিকভাবে রোহিঙ্গাদের স্বাস্থ্য, খাদ্য, আবাসসহ সব ধরনের মানবিক সহযোগিতা দেয়া হচ্ছে। বিশাল এ কর্মযজ্ঞ প্রশাসনের একার পক্ষে সম্ভব নয়।’ তাই সেনাবাহিনীর সাহায্য চাওয়া হয়েছে।

নিরাপত্তার বিষয়ে জেলা প্রশাসক বলেন, পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বিভিন্ন সংস্থা কাজ করছে।

এ বিষয়ে শুক্রবার কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এ কে এম ইকবাল হোসেন সংবাদ সম্মেলনে বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সর্বোচ্চ সজাগ রয়েছে। সীমান্ত এলাকাসহ শরণার্থী ক্যাম্পের আশপাশে টহল জোরদার করা হয় এবং গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

 

জেবি/সি

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়