close
ঢাকা, সোমবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৭ | ১০ আশ্বিন ১৪২৪

কুড়িগ্রামে ৩ নদীর পানি বিপদসীমার ওপরে, অনাহারে মানুষ (ভিডিও)

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট, কুড়িগ্রাম
|  ১২ জুলাই ২০১৭, ১২:১০ | আপডেট : ১২ জুলাই ২০১৭, ১৩:০৬
ফাইল ছবি
কুড়িগ্রামের ব্রহ্মপুত্র, ধরলা ও তিস্তাসহ সবগুলো নদ-নদীতে পানি বাড়তে থাকায় জেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতি হয়েছে। দিনে দিনে বাড়ছে পানিবন্দি মানু্ষের সংখ্যা।  দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। দুর্গত অনেক মানুষের ঘরেই খাবার নেই। তাছাড়া এমন অবস্থায় গবাদি পশুর খাবার জোটাতে হিমসিম খেতে হচ্ছে তাদের।  
 
কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকৌশলী মুকলেছুর রহমান জানান, বুধবার সকাল পর্যন্ত ধরলার পানি বিপদসীমার ৭৫ সেন্টিমিটার, তিস্তায় ১০ সেন্টিমিটার, চিলমারীতে ২৪ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে ব্রহ্মপুত্রের পানি বিপদসীমার ৩২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
 
কুড়িগ্রামের কয়েকটি উপজেলার ৩৫টি ইউনিয়নের চরাঞ্চলের প্রায় আড়াই শতাধিক গ্রাম পানিতে ডুবে গেছে। নতুন নতুন এলাকায় বন্যার পানি ঢুকে পড়ছে। এতে দুর্বিষহ হয়ে পড়েছে জনজীবন। বন্যার কারণে দেখা দিয়েছে বিশুদ্ধ পানি ও খাদ্য সঙ্কট।
 
এদিকে,  পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় জামালপুরের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। জেলার ৬ উপজেলার দেড় লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। বন্ধ হয়ে গেছে ১৩৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
 
গেলো ২৪ ঘণ্টায় যমুনা, ব্রহ্মপুত্র, ঝিনাইসহ জামালপুর জেলার সবগুলো নদীর পানি বেড়েছে। ফলে জেলার ১৫টি ইউনিয়ন নতুন করে বন্যা প্লাবিত হয়েছে।
 
অন্যদিকে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কয়েক দিন ধরে ৯০ মে. টন চাল, ৩ হাজার ২০০ প্যাকেট শুকনো খাবার ও দেড়লাখ টাকা বিতরণ করা হয়েছে। বন্যাকবলিত এলাকায় ৭৭টি মেডিক্যাল টিম কাজ শুরু করেছে।
 
এছাড়া গাইবান্ধায় বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতি হয়েছে। ব্রহ্মপুত্রের পানি ফুলছড়ি পয়েন্টে ৫৫ সেন্টিমিটার ও ঘাঘট নদীর পানি বিপদসীমার ৩১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। গেলো ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে ৩০ মিলিমিটার।
 
পানি বৃদ্ধির কারণে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ, ফুলছড়ি, সাঘাটা ও সদর উপজেলার ২৭টি ইউনিয়ন প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্দি হয়েছে ৭০টি চরের অন্তত লক্ষাধিক মানুষ। দ্রুত পানি বৃদ্ধির কারণে নদী তীরবর্তী ও চরাঞ্চলের মানুষরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে।
 
 
এসএস
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়