• ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৫ আশ্বিন ১৪২৫

১০ ঘণ্টা পর চেতনা ফিরেছে হাতির

অনলাইন ডেস্ক
|  ১২ আগস্ট ২০১৬, ১৩:০২ | আপডেট : ১২ আগস্ট ২০১৬, ১৪:৫৬
ট্র্যাঙ্কুলাইজারের মাধ্যমে চেতনানাশক দিয়ে অজ্ঞান করার ১০ ঘণ্টা পর জ্ঞান ফিরল ভারতীয় বুনো হাতিটির। এখন বশে আনার পর হাতিটিকে সাফারি পার্কে  নেয়ার প্রক্রিয়া শুরু হবে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে কামারাবাদ ইউনিয়নের কয়রা গ্রামে অচেতন করা হয় হাতিটিকে। এরপর কয়েক’শ মানুষ হাতিটিকে জলাশয় থেকে লোকালয়ে টেনে তোলেন।

বন অধিদপ্তরের উদ্ধার দলের ভেটেরিনারি সার্জন সৈয়দ হোসেন বলেন, শুক্রবার রাত ১২টার পর হাতিটি স্বাভাবিকভাবে দাঁড়াতে পেরেছে। হাতির তিনটি পা বড় গাছের সঙ্গে শেকল দিয়ে বেঁধে রাখা হয়েছে।

তিনি জানান, এ গ্রামে ট্রাক কিংবা ক্রেন যাওয়ার মতো অবস্থা নেই। হাতিটিকে নিরাপদ জায়গা দিয়ে হাঁটিয়ে নিয়ে যেতে হবে। তাই এখানে ৫-৭দিন আটকে রেখে প্রশিক্ষণ দিয়ে বশ মানাতে হবে। আপাতত হাতিটিকে বেঁধে রেখে পরে মাহুতের সাহায্যে বশে আনার চেষ্টা হবে।

এ চিকিৎসক আরো বলেন, মাহুত আসার পর আরও দুটো হাতির সঙ্গে প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। প্রশিক্ষণ শেষে অন্য দুই হাতির পায়ের সঙ্গে বেঁধে হাটিয়ে নেয়া হবে অন্তত এক কিলোমিটার। তারপর পরিবহনে করে ঢাকার সাফারি পার্ক কিংবা শেরপুরে গজনিতে ছেড়ে দেয়া হবে।

এর আগে হাতিটি উদ্ধারে গেল ৩ অগাস্ট ভারতীয় দল বাংলাদেশে আসে। তারা ব্যর্থ হয়ে আসামে ফিরে যায়।

অন্যদিকে, খাবারের প্রলোভনে সাড়া না দেয়ায় বুনো হাতিটিকে বশে আনতে পোষা একটি মাদী হাতিও আনা হয়েছিল। কিন্তু পোষা হাতিটিকে উল্টো তাড়িয়ে দেয় বুনো হাতিটি। বুধবার প্রথমে ‘প্লাস্টিক ডার্ট’ ছুড়লে তা হাতির গায়ে লেগে বেঁকে যায়। এরপর বৃহস্পতিবার ‘মেটাল ডার্ট’ ছুড়ে হাতিটিকে অচেতন করা হয়।

গেল ২৬ জুন আসাম হয়ে বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম সীমান্তে আসে হাতিটি। দেড় মাসেরও বেশি সময় ধরে নদী ও স্থল পথ মিলিয়ে চার জেলায় কয়েকশ কিলোমিটার পাড়ি দিয়ে অনেকটা দুর্বল হয়ে জামালপুরে অবস্থান নিয়েছিল হাতিটি।

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়