• ঢাকা শুক্রবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৬ আশ্বিন ১৪২৫

ভিড় আর বিক্রিতে জমজমাট মেলা

সিয়াম সারোয়ার জামিল
|  ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৭, ২০:২৬ | আপডেট : ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭, ১৫:১০
মাসব্যাপী অমর একুশে গ্রন্থমেলার শেষভাগে এসে বেড়ে গেছে ভিড়। বিক্রিও হচ্ছে জমজমাট। শেষ সময়ে অধিকাংশ পাঠক মূলত বই কিনতেই আসছেন। সব মিলিয়ে জমে উঠেছে লেখক-প্রকাশক ও পাঠকের মিলনমেলা। দুপুর থেকেই বাংলা একাডেমি ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের গেটে দেখা যায় দীর্ঘ লাইন।

মেলায় বই বিক্রির সুনির্দিষ্ট হিসেব পাওয়া যায়নি। তবে জানা গেছে, ক্রেতাদের আগ্রহে থাকা বইগুলোর নাম। কাটতির শীর্ষে থাকা বেশিরভাগ বই হুমায়ূন আহমেদ পরিবারেরই। জাফর ইকবালের বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী ‘রিটিন’, হুমায়ূন আহমেদের মা আয়েশা ফয়েজের লেখা 'শেষ চিঠি’,  হুমায়ূন আহমেদের ‘মিসির আলী দশ’,  ‘দেয়াল’ ও ‘জোছনা ও জননীর গল্প’ পাঠকদের আকৃষ্ট করছে।  

এছাড়া ইমদাদুল হক মিলনের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস ‘নয়মাস’, হরিশংকর জলদাসের উপন্যাস ‘অর্ক’ বিক্রি হচ্ছে দারুণ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার 'নির্বাচিত প্রবন্ধ', ছাত্রলীগের সভাপতি সাইফুর রহমান সোহগের ‘ছাত্রলীগের ইতিহাস বাংলাদেশের ইতিহাস’ বইটিও বেশ চলছে। 

দ্যু প্রকাশনের সত্ত্বাধিকারী হাসান তারেক বলেন, প্রথম দিকে ছিমছাম বেঁচাকেনা হলেও এখন বিক্রি বেশ জমজমাট। শেষ সময়ে যারা আসেন তারা মূলত বই কিনতেই আসেন।

শ্রাবণ প্রকাশনীর সত্ত্বাধিকারী রবিন আহসান বলেন, বেশ ভাল বিক্রি হচ্ছে। পাঠকেরা শেষ সময়ে এসে পছন্দের বইটাই কিনে নিচ্ছেন।  

২৬তম দিনে নতুন বই ১০৩

রোববার ছিল অমর একুশে বইমেলার ২৬তম দিন। এদিন নতুন বই এসেছে ১০৩টি। ৪৬টি নতুন বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হয়। 

বিকেল ৪টায় বইমেলার মূলমঞ্চে অনুষ্ঠিত হয় 'আত্মজীবনীমূলক সাহিত্য' শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠান। প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য ড. রাশিদ আসকারী। আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন  ড. সাইফুদ্দীন চৌধুরী, ড. এএসএম বোরহান উদ্দীন। সভাপতিত্ব করেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক শামসুজ্জামান খান।

আলোচনায় বক্তারা বলেন, আত্মজীবনী সাহিত্যরীতি হিসেবে বেশ পুরনো এবং প্রাচীনকাল থেকে বর্তমানকাল অব্দি এর ধারাবাহিক প্রচলন অব্যাহত রয়েছে। বাংলা ভাষায় সাহিত্যরচনাকারী অনেক মনীষীই তাঁদের জীবনকাহিনি লিখে যেতে প্রয়াস পেয়েছেন। তত্ত্ব-বিস্ফোরণের এ যুগে শিল্পসাহিত্যের বিভিন্ন ক্ষেত্রের মতো আত্মজীবনী-তত্ত্বও এক বহুল আলোচিত ক্ষেত্র হিসেবে গৃহীত হয়েছে। বাংলা আত্মজীবনীর দীর্ঘ পরম্পরায় আত্মজীবনীকারদের রচনাবলি প্রাসঙ্গিক সাহিত্য-সমালোচনা তত্ত্বের আলোকে পঠিত হলে বাংলা আত্মজীবনীমূলক রচনা এক বৈশ্বিক উচ্চতায় পৌঁছুবে। 

সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেন ফেরদৌস আরা, ইয়াকুব আলী খান, লীনা তাপসী খান, শারমিন সাথী ইসলাম, প্রদীপ কুমার নন্দী, সুমন মজুমদার, মাহবুবা রহমান, ফারহানা শিরিন।


এসজে

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়