প্রভাত ফেরিতে সহস্র ফুল

প্রকাশ | ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৭, ১৫:২২ | আপডেট: ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৭, ১৮:৪৯

মুক্তা মাহমুদ

নগ্ন পদযাত্রায় শ্রদ্ধা-ভালবাসায় ভাষাশহিদদের স্মরণ করতে কাকডাকা ভোর থেকে শহিদ মিনারে ঢল নামে লাখো মানুষের। শ্রদ্ধা জানাতে ধর্ম-বর্ণ, জাতি-গোষ্ঠি বা ভাষা ভুলে সব শ্রেণি-পেশার মানুষ ছিলেন এক কাতারে।

অহিংস জাতি গঠনের প্রত্যয়ে পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। যাদের আত্মত্যাগে বাঙালি পেয়েছিলো ভাষার অধিকার ফুল আর শ্রদ্ধায় তাদের আজ স্মরণ করছে জাতি।

হাতে ফুল, বুকভরা শ্রদ্ধা, কণ্ঠে অমর একুশের গান। এ যেনো রক্তের ঋণশোধের, ব্যর্থ প্রচেষ্টা! প্রাণভরে মায়ের ভাষা বলার অধিকার যারা দিয়ে গেছেন, তাদের কাছে জাতি চিরঋণী।

তাদের স্মরণে তাই সব মত-পথ গিয়ে মিশেছে স্মৃতির মিনারে।

৬৫ বছরে এতোটুকুও শোধ হয়নি ফাগুণের স্মৃতিবিজড়িত শহিদদের রক্তের ঋণ। মায়ের ভাষাকে রক্ষার শপথ নিয়ে সেদিন যারা নিজেদের রক্তে রাজপথ রাঙিয়ে ছিলেন, তাদের  স্মরণে তাই নেমেছিলো ঢল।

 

শরীরের শোকের রঙ আর বসন্তের ফুল নিয়ে স্মৃতির মিনারে জড়ো হয়েছিলেন সবাই। রাজনৈতিক নেতা সামাজিক-সাংস্কৃতিক কর্মী- কে ছিলেন না, শ্রদ্ধার মিছিলে?

এই জনস্রোত শহিদ মিনারের গণ্ডি পেরিয়ে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়েছে অনেক আগেই। একুশ এখন বিশ্বের সব ভাষাভাষীর অধিকার রক্ষার দিন।

ইউনেস্কো’র এবারের আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রতিপাদ্য ‘বহুভাষায় শিক্ষা’।

শহিদ মিনারের লাল বেদি এক সময় ভরে ওঠে শ্রদ্ধাঞ্জলিতে।

ভাষা আন্দোলনের হাত ধরে ৭১ আসে স্বাধীনতা। তাই যুগ যুগ ধরে বহমান থাকুক একুশের চেতনা এমন-ই প্রত্যাশা।

ওয়াই/জেএইচ