• ঢাকা রবিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৮ আশ্বিন ১৪২৫

রায় দেয়া শেষ, এখন প্রতীক্ষা

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট
|  ২২ ডিসেম্বর ২০১৬, ১৬:০৩ | আপডেট : ২২ ডিসেম্বর ২০১৬, ১৮:০৬
রায় দেয়া শেষ, চলছে গণনা। এবার প্রতীক্ষার পালা। দ্বিতীয় মেয়াদে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের দায়িত্ব কার হাতে যাচ্ছে, তা জানা যাবে কয়েক ঘণ্টা পরই। ফলাফল যাই হোক জনতার রায় মেনে নেবেন সব দলের প্রার্থী, আগেই তা ঘোষণা দিয়েছেন।  

ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা ও শান্তিপূর্ণ উৎসব আমেজে হয়ে গেলো নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ভোটগ্রহণ। বৃহস্পতিবার সকাল ৮টায় শুরু হয়ে বিরতিহীনভাবে ভোট চলে বিকেল ৪টায়।

দলীয় প্রতীকে হওয়া প্রথম এ সিটি নির্বাচন নিয়ে সারাদেশের মানুষের রয়েছে ব্যাপক আগ্রহ। আলোচিত এ ভোট মাঠপর্যায়ে পর্যবেক্ষণ করেন প্রায় দেড় হাজার দেশি-বিদেশি সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষক। এ নির্বাচনের চুলচেরা পর্যবেক্ষণ করে ধারাবাহিকভাবে মিডিয়ায় তুলে ধরছেন তারা।

নির্বাচন কমিশন জানায়, পর্যাপ্ত সাংবাদিক এবং পর্যবেক্ষক ভোট পর্যবেক্ষণ করছেন। এদের মাধ্যমে দেশবাসী জানবে কেমন নির্বাচন হয়েছে। পাশাপাশি পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পর্যাপ্ত পরিমাণ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন রয়েছে।

নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের পরিচালক এসএম আসাদুজ্জামান জানান, নাসিক নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করছেন ১৬টি সংস্থার ৩১৮ জন দেশি ও একটি বিদেশি সংস্থার ২ জন পর্যবেক্ষক। এছাড়া রয়েছেন ১ হাজার ১৪২ গণমাধ্যমকর্মী। এদের মধ্যে ৬৮৩ জন টেলিভিশন, ৩২৬ জন প্রিন্ট মিডিয়া এবং ১১৩ জন অনলাইন মিডিয়ার সংবাদকর্মী কাজ করছেন।

এ নির্বাচনে ৭টি রাজনৈতিক দল থেকে ৭ জন মেয়র, ২৭টি সাধারণ ওয়ার্ডে ১৫৬ সাধারণ কাউন্সিলর এবং ৯টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডে ৩৮ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে দুই মেয়র প্রার্থী বিএনপির সাখাওয়াত হোসেন খানকে সমর্থন করেছেন। ১৭৪ ভোট কেন্দ্রের ১ হাজার ৩০৪টি ভোট কক্ষে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন ভোটাররা। এ সিটি করপোরেশনে মোট ভোটার ৪ লাখ ৭৪ হাজার ৯৩১ জন। যার মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ৩৯ হাজার ৬৬২ এবং নারী ২ লাখ ৩৫ হাজার ২৬৯ জন।

কেন্দ্রগুলোর নিরাপত্তায় কাজ করছে পুলিশ, র‌্যাব ও বিজিবিসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। সতর্ক টহলে আলাদা টিম। নির্বাচনে ১৭৪টি কেন্দ্রের মধ্যে ১৩৭টিকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ বিবেচনা করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা সাজিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

গেলোবার আওয়ামী লীগের সমর্থন না পেয়ে স্বতন্ত্রপ্রার্থী হিসেবে মেয়র নির্বাচিত হন ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী। তবে এবার দলের সমর্থন নিয়ে ভোট করছেন নৌকা প্রতীকে। অন্যদিকে, জেলা বিএনপির সভাপতি নির্বাচনে অপারগতা জানালে দলটির সমর্থন পান আলোচিত ৭ খুন মামলার প্রধান আইনজীবী অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন। তিনি ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করছেন। এছাড়া বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান ইসমাইল ‘কোদাল’, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মুফতি মাসুম বিল্লাহ ‘হাত পাখা’ ও ইসলামী ঐক্যজোটের মুফতি এজহারুল ইসলাম ‘মিনার’ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে লড়ছেন।

ওয়াই / এস

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়