এমবিবিএস ভর্তি

পরীক্ষাকেন্দ্রে মোবাইল ফোন আনতে পারবেন না পরিদর্শকরাও

প্রকাশ | ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১৫:৫৫ | আপডেট: ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১৬:০৬

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট

আসন্ন এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষা নিখুঁত ও নিশ্চিদ্র নিরাপত্তার মধ্যদিয়ে নিতে বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়।

গত কয়েক বছরের সাফল্যের ধারাবাহিকতা আরও ভালো করতে এবারের ভর্তি পরীক্ষায় বাড়তি সতর্কতা ও কঠোর পন্থা অবলম্বনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এর মধ্যে একটি হলো পরীক্ষাকেন্দ্রে দায়িত্বরত পরিদর্শক বা কর্মকর্তা কোনও মোবাইল ফোন নিয়ে যেতে পারবেন না। প্রতি কেন্দ্রের অভ্যন্তরে কর্মকর্তাদের মধ্যে যোগাযোগের জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঁচটি অ্যানালগ মোবাইল ফোন দেয়া হবে।

সোমবার সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষা সম্পাদনে ওভারসাইট কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম এতে সভাপতিত্ব করেন। আগামি ৫ অক্টোবর সারাদেশের ১৯টি কেন্দ্রে এই ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

সভায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, গত কয়েক বছর ধরে এমবিবিএস ও বিডিএস ভর্তি পরীক্ষা সর্বোচ্চ সুষ্ঠুভাবে শেস হয়েছে। এবারের পরীক্ষা আরও নিখুঁতভাবে নিতে সংশ্লিষ্টদের বাড়তি সতর্কতা নেয়া হয়েছে।

এসময় পরীক্ষা প্রক্রিয়া নিয়ে কোনও অমূলক সন্দেহ নিরসন বা ভুয়া প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে কোনও রকমের গুজব প্রতিরোধে সতর্ক থাকার জন্য নাগরিক সমাজ, গণমাধ্যম, অভিভাবক ও ছাত্রসমাজের প্রতি আহ্বান জানিয়ে মোহাম্মদ নাসিম বলেন, এবারের পরীক্ষায় অন্যবারের তুলনায় আরও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার হচ্ছে, আরও কঠোরতা অবলম্বন করা হবে। যাতে কোনও দুর্বলতার সুযোগ থাকবে না।

তিনি বলেন, সরকার ১০ বছর পর এবার সরকারি মেডিকেল কলেজে আরও সাতশ আসন বাড়িয়েছে। ফলে গতবারের তুলনায় এবারে বেশি সংখ্যক শিক্ষার্থী ভর্তির সুযোগ পাবে এবং মেধাবীরাই ভর্তি হতে পারবে।

সভায় জানানো হয়, এবার সরকারি কলেজে ৪ হাজার ৬৮টি এবং বেসরকারি মেডিকেল কলেজে ৫ হাজার ৭৫১টি আসন রয়েছে। গত ৩১ আগস্ট থেকে অনলাইনে আবেদন শুরু হয়েছে যা চলবে ১৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে ৩ অক্টোবর পর্যন্ত প্রবেশপত্র ডাউনলোড করার সুযোগ থাকবে।

সভায় অন্যান্যের মধ্যে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালেক, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব জিএম সালেহ উদ্দিন, বিএসএমএমইউ-এর উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়–য়া, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ, বিএমএ’র সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, সাংবাদিক ও কলাম লেখক সৈয়দ আবুল মকসুদ, আমাদের অর্থনীতির সম্পাদক নাইমুল ইসলাম খান, প্রথম আলোর যুগ্ম সম্পাদক আবদুল কাইয়ুমসহ মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন  :

জেএইচ