শহিদুলের জামিন মঙ্গলবার বিচারিক আদালতকে নিষ্পত্তির নির্দেশ

প্রকাশ | ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১৪:৪৪ | আপডেট: ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১৪:৫৩

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট

আলোকচিত্রী শহিদুল আলমের জামিন আবেদন আগামীকালের (মঙ্গলবার) মধ্যে বিচারিক আদালতকে নিষ্পত্তির নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

আজ(সোমবার, ১০ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি মো. রেজাউল হক ও বিচারপতি আবু তাহের মো. সাইফুর রহমানের বেঞ্চ হাইকোর্ট এ আদেশ।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনে করা এক মামলায় কারাগারে আটক রয়েছেন আলোকচিত্রী শহিদুল আলম।

রাজধানীর কুর্মিটোলায় বাসচাপায় রমিজ উদ্দিন স্কুল অ্যান্ড কলেজের দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যুর পর নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নামে।  

এসময় দৃক গ্যালারির প্রতিষ্ঠাতা শহিদুল আলম নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন নিয়ে একটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমকে সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন। ওই সাক্ষাৎকারে ‘মিথ্যা তথ্য’ দিয়ে রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করা হয়েছে বলে মামলায় অভিযোগ করা হয় তার বিরুদ্ধে।

এই ঘটনার অভিযোগে তথ্য-প্রযুক্তি আইনের মামলায় ৬ আগস্ট তাকে রিমান্ডে নেয় পুলিশ। এর আগের দিন রাতে ধানমন্ডির বাসা থেকে তাকে তুলে নেয় ডিবি। সাত দিনের রিমান্ড শেষে গত ১২ আগস্ট শহিদুলকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন নিম্নআদালত।

এ মামলায় ৬ আগস্ট সিএমএম আদালতে তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর হয়। পরে গত ১৪ আগস্ট ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতে জামিন আবেদন করা হলে ১১ সেপ্টেম্বর শুনানির জন্য দিন ঠিক রাখেন। শুনানির এ তারিখ এগিয়ে আনতে ১৯ আগস্ট আবেদন করা হলে তা গ্রহণ করেননি আদালত। পরে ২৬ আগস্ট অন্তর্বর্তীকালীন জামিন চাইলে ওই আদালত শুনানির জন্য তা গ্রহণ করেননি। এ অবস্থায় ২৮ আগস্ট হাইকোর্টে তার জামিন চেয়ে আবেদন করা হয়। ২৯ আগস্ট আবেদনটি শুনানির জন্য আরজি জানানো হয়। এর ধারাবাহিকতায় ৪ সেপ্টেম্বর শুনানির জন্য আদালতের তালিকায় আসে মামলাটি।  

ওই দিন বিচারপতি মো. রুহুল কুদ্দুস ও বিচারপতি খোন্দকার দিলীরুজ্জামানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চের একজন বিচারপতি এ জামিন শুনানিতে বিব্রত বোধ করেন। পরে এটি জানিয়ে আদালত বিষয়টি প্রধান বিচারপতির কাছে পাঠানোর আদেশ দেন।

এরপর প্রধান বিচারপতি এ বিষয়ে শুনানির জন্য বিচারপতি মো. রেজাউল হক ও বিচারপতি আবু তাহের মো. সাইফুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চে পাঠান। সেই ধারাবাহিকতায় আজ শুনানি হয়।

হাইকোর্ট এ বেঞ্চ শহিদুল আলমের জামিন আবেদন আগামিকালের মধ্যে বিচারিক আদালতকে নিষ্পত্তির নির্দেশ দিয়ে আদেশ দেন।

আদালতে আবেদনকারীর পক্ষে ছিলেন আইনজীবী সারা হোসেন ও জ্যোতির্ময় বড়ুয়া। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিশ্বজিৎ দেবনাথ ও খোরশেদুল আলম।

জেএইচ