যত ইচ্ছা সাজা দেন, বারবার আসতে পারব না: খালেদা

প্রকাশ | ০৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১৩:৪৪ | আপডেট: ০৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১৭:৫৫

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট

আমার শারীরিক অবস্থা ভালো না। আমার পা ফুলে গেছে। ডাক্তার বলেছে, পা ঝুলিয়ে রাখা যাবে না। এখানে আমি আদালতে বারবার আসতে পারব না। আপনাদের যা মনে চায়, যতদিন ইচ্ছা সাজা দিয়ে দেন। আদালতে এভাবেই বললেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। 

বুধবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর নাজিমুউদ্দিন রোডের পুরাতন কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থাপিত অস্থায়ী আদালতে হাজির হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় কেন্দ্রীয় কারাগারে অস্থায়ী এই আদালত বসানো হয়। জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলার রায়ে এই কারাগারে সাজা ভোগ করছেন খালেদা জিয়া।

খালেদা জিয়া বলেন, এই মামলায় শুনানির জন্য আজকের দিন তো আগে থেকেই ঠিক করা ছিল। কিন্তু একদিন আগে তড়িঘড়ি করে আদালত স্থানান্তর করে গেজেট দেয়া হয়েছে। ন্যায়বিচার বলে কিছু নাই। অবিচার হচ্ছে। কথা বলা যায় না। ইচ্ছামতো আপনারা যা খুশি সাজা দিয়ে দেন।

------------------------------------------------------------------
আরও পড়ুন : খালেদার উপস্থিতিতে চলছে শুনানি, কারাগার ঘিরে কড়া নিরাপত্তা
------------------------------------------------------------------

এদিন দুপুর ১২টা ১৪ মিনিটে খালেদা জিয়াকে কারাগারে তার কক্ষ থেকে হুইল চেয়ারে করে আদালতের এজলাসে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে আদালতের কার্যক্রম শেষে এরপর হুইল চেয়ারে করে তাকে কারাগারে নিজ কক্ষে নিয়ে যাওয়া হয়।

পরে আদালত থেকে বেরিয়ে কেন্দ্রীয় কারাগারের সামনে ঢাকা বারের সভাপতি বিএনপিপন্থী আইনজীবী গোলাম মোস্তফা খান সাংবাদিকদের বলেন, খালেদা জিয়া আদালতে হাজির হয়েছিলেন। তিনি বলেন, আমার বাম পা সোজা হয়ে থাকে, বাঁকা করতে পারি না। তার বাম হাতও একেবারেই চলছিল না। তিনি কাঁপছিলেন। হুইল চেয়ার থেকে চেয়ারে বসতে পারেন না। তিনি আদালতকে বলেন, ‘মামলা যেভাবে চলে চলুক, আমি আর আসতে পারব না।’

গোলাম মোস্তফা আরও বলেন, খালেদা জিয়া আদালতকে আরও বলেন, আপনারা সাজা দেয়ার জন্যই তো এই আদালত পরিচালনা করছেন। আদালত তো আমার কথা শোনেনই না, শুনতেই চান না। নেমে চলে যান। আজ তাও সামনে দিয়ে গেলেন। এই মামলায় ১২/১৩ তারিখ পরবর্তী দিন দেয়া হয়েছে। কিন্তু রিপোর্ট দেখলে বুঝতেন আমার শরীরের অবস্থা কী। সুতরাং আমি আর আসতেই পারব না। এই কোর্ট তো সাজা দেয়ার জন্যই। 

 

এসজে